কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১৫+১৬

0Shares

 ঠিক পশু পাখিদের ভাষা বা ডাক আমাদের কাছে শুধুই ডাক বা কিচিরমিচিরমনে হয় । কিন্তু না তাদের এই ধ্বনি (যেটা শুধু আমাদের কাছে পাখির কিচিরমিচির ,কুকুরের ঘেউ , গরুর হাম্বা) শুধু অর্থহীন ধ্বনি নয় । এর মাঝেই লুকিয়ে আছে মানব  জাতির জ্ঞানের বাইরে প্রাণী জগতের  এক অজানা – দূর্বোধ্য জগৎ । হতে পারে পশু পাখির সেই জগতে সেই দূর্বোধ্য ভাষাতে লুকিয়ে আছে মানবজাতির অজানা বিষ্ময়কর জ্ঞানের এক জগৎ ।প্রাণী জগতের এই সব জ্ঞানগুলো যদি মানবজাতির আয়ত্বে আসতো তবে নিঃসন্দেহে মানবজাতির বিজ্ঞান কয়েকধাপ এগিয়ে যেতো। এই কথাটার অর্থ বোঝার আগে চলুন জেনে নেই এ পর্য্যন্ত যে যে  প্রাণীদের অত্যাশ্চর্য্য ক্ষমতা মানব চোখে আবিষ্কৃত হয়েছে এবং বিভিন্ন বিষয়ের বিস্ময়কর কিছু তথ্য  –

০১) মাছিরা খুব কম সময় বাঁচে ,এদের জীবনকাল মাত্র ১৪ দিন ।

০২) বিড়ালের প্রতি কানে রয়েছে ৩২ টি মাংশ পেশী । এদের শ্রবন ক্ষমতা প্রবল ।

০৩) প্রতিটি মানুষের বিপরীতে রয়েছে এক মিলিয়ন পিপিলিকা । এরা কখনো ঘুমায়না এদের কোন ফুসফুস নেই ।

০৪) প্রজাপতির দুই চোখে এক হাজারের ও বেশি লেন্স রয়েছে ।

০৫) শামুক এমন এক প্রাণী যার চোখ নষ্ট হয়ে গেলে আবার নতুন চোখ গজায় ।

০৬) কুকুরের নাকের প্রিন্ট ইউনিক, এই প্রিন্ট দিয়ে এক কুকুর থেকে আরেক কুকুর কে আলাদা করা যায় ।

০৭) পেঁচা নিজের ঘাড়কে ২৭০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘোরাতে পারে ।

০৮) নিশাচর প্রাণীরা রাতের অন্ধকারে বা অতি স্বল্প আলোতে দেখতে পাই, এটা আমরা সবাই জানি । কিন্তু তারা এটা কিসের ভিত্তিতে দেখে জানেন ? আচ্ছা আপনি কোন বস্তুতে যদি তাপ থাকে তা কি দেখতে পান ?

(১৫)

দেখতে পাননা , কারন তাপকে দেখা যায়না  ছুয়ে অনুভব করা যায় । কিন্তু নিশাচর প্রানীরা এই তাপকে দেখতে পাই ! সকল প্রাণীদের দেহে প্রচন্ড তাপ উৎপন্ন হয়, কারন আমরা বা প্রাণীরা যে খাদ্য গ্রহন করে তা oxygen এর সাথে জারিত হয়ে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং সেই শর্করা রক্তে মিশে কোষে পৌছায় ।

তখন দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদনের প্রয়োজনে কোষের ভিতর শর্করা পুড়ে তাপ উৎপন্ন করে ।অর্থাৎ তাপ বিকিরন করতে থাকে । এসব তাপ ultra-violet(অতি বেগুনী রশ্মি ) সংবেদী চোখে ধরা পড়ে । এর ফলে দুর থেকে প্রাণী অথবা মানুষের দেহ অবয়ব খুব সহজে নিশাচরী প্রাণীরা দেখতে পায় । এর কারন নিশাচরদের আছেTapetum Lucidum । আর এর উপর ভিত্তি করে আবিষ্কৃত হয়েছে Infrared Technology ।

০৯) মিলানোফীলা(MILANOPHILA) নামক এক জাতের গূবড়ে পোকা আছে যারা ১২ কিলোমিটার দূর থেকে বনের আগুণ লাগা বুঝতে পারে ।

১০) অস্ট্রেলিয়ার আদিবাসীদের মধ্যে ২০০ এর বেশি ভাষা আছে কিন্তু লিখিত কোন রূপ নেই ।

১১) অক্টোপাসের কোন মস্তিষ্ক নেই কিন্তু একাধিক হৃদপিণ্ড আছে ।

১২) রেড ফ্লাট বার্ক বিটেল নামক লাল রঙের সুন্দর একটি পোকা মাইনাস ১০০ ডিগ্রি তাপমাত্রাতেও মারা যায়না ।

১৩) উটের দুধ থেকে দই তৈরি করা যায়না ।

১৪) সাপের ছোবলে ঘোড়া এবং বেজি মরেনা ।ঘোড়ার রক্তে সাপের বিষ ঢুকিয়ে তৈরি হয় সাপে কাটা মানুষ কে বাঁচানোর ইনজেকশন এন্টিভেনম ।ঘোড়া না থাকলে তাহলে কিভাবে সর্প বিষ প্রতিরোধী ইনজেকশন বানাতাম আমরা ।

১৫)লেজ কাটলে ঘোড়া মারা যায় ।

(১৬)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!