কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৪৯+৫০

0Shares

গুলো দিয়ে সময় নষ্ট করার অর্থ হলো পাঠকের যাতে বইয়ের ভাব বস্তু বুঝতে অসুবিধা না হয়, পাঠক মাত্রই যেন বুঝতে পারেন জীবন, বুদ্ধি বা সভ্যতার সঙ্গা, পরিবেশ ও কালভেদে ভিন্ন হতে পারে, জীবন, বুদ্ধি বা সভ্যতার পরিমাপ বিচার আপেক্ষিক, ও মানুষ একেক যুগে তার প্রয়োজনে একটা না একটা বিদ্যা ও চালিকা শক্তি আবিষ্কার করেছে । সময়ের আবর্তনে সেই অতি বিদ্যা হারিয়ে গেছে , মানুষ আবার পরিশ্রম করেছে আবার উদ্ভাবন করেছে নতুন অতি বিদ্যা নতুন চালিকা শক্তি ।কিভাবে মানুষ সুপার এনার্জি ও সুপার নলেজ আবিষ্কার করে সভ্যতার স্বর্ন শিখরে আরোহন করে, আবার কিভাবে একটা সভ্যতা কালের আবর্তে হারিয়ে গেছে আবার কিভাবে বর্তমান সভ্যতা হারিয়ে যেতে পারে সে বিষয়ে একেবারে সর্বশেষে আলোচনা করবো ।তবে বলছিনা এই গ্রন্থের সবকিছু অকাট্যভাবে আপনারা বিশ্বাস করুন, শুধু মাত্র শক্তিশালী কিছু যুক্তির আলোকে আপনাদের মূল্যবান কিছু সময় নষ্ট করবো ।আপনি যদি আপেক্ষিকতা বোঝেন তাহলে পরবর্তী লেখাগুলো বুঝতে অসুবিধা হবেনা আশা করি এবং এ জন্য এত লেখা যে আমরা যে জগতে বসবাস করি সেখানে আমাদের সাথে পাশাপাশি, কাছে, দুরে আমাদের মতে অসংখ্যা যে সব সাধারন সৃষ্টি(গৃহপালিত বা বন্য পশুপাখি, কীটপতঙ্গ ) বসবাস করছে, এবং আমরা যাদেরকে বা যে সব কিছুকে, বা যে সব ব্যাপারকে সাধারন ভেবে উড়িয়ে দিই বা ভাবনায় আনিনা সে গুলোর ভিতর অজানা একটা জগৎ, অজানা কোন রহস্য, অজানা কোন বিজ্ঞান আছে কিনা একটু ভেবে বা আলোচনা করে সময় কাটাই চলুন  ।

          মানুষের পৃথক চেহারা – পৃথিবীতে বর্তমানে মানব জাতির জনসংখ্যা ৭০০ কোটি । এই ৭০০ কোটি মানুষের চেহারা এক জনের থেকে আরেক জনের ভিন্ন । এই যে পৃথিবীতে আমরা কত যায়গায় ভ্রমণ করছি, কত মানুষ পথে ঘাটে চলতে আমরা দেখি, কিন্তু কখনো কি দেখেছেন হুবহু আপনার কার্বন কপি বা মিরর ইমেজ কাউকে, মানে হুবহু আপনার চেহারার একজন আপনার মুখোমুখি হতে ?  দেখেননি । তবে বিজ্ঞানীদের সমীক্ষা মতে প্রত্যেক মানুষর কয়েকজন জন প্রতিরূপ রয়েছে, তবে সেগুলো চেহারার ৬০-৮০% মিল ।হুবহু নয় আবার মানুষের প্রত্যেকের ফিংগার প্রিন্ট সম্পূর্ন ইউনিক । কারো ফিংগার প্রিন্ট কারো সাথে মিলবেনা ।

(৪৯)  

তো কথা হলো আমরা তো একেক জন মানুষ প্রত্যকে প্রত্যেককে আলাদা করে চিনতে পারি, মা এর চেহারার সাথে বাবার চেহারা গুলিয়ে ফেলিনা । ভাইয়ের সাথে বন্ধুর চেহারা গুলিয়ে ফেলিনা।একজন মানুষ থেকে আরেক জন মানুষের চেহারা কেন পৃথক করা সম্ভব হয় এটা বোঝাতে একটা ছোট্ট উদাহরন দিই । আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইল সেটে যদি adobe reader সেট না করা থাকে তাহলে আপনি নিশ্চই পিডিএফ কোন গল্প বা ফাইল পড়তে পারবেননা । যদি কোন

অডিও বা ভিডিও প্লেয়ার না থাকে তবে কোন mp3 বা  video music প্লে করতে পারবেন না ।যারা ওয়েব ডিজাইনার তারা html, css, javascript এর যে সব কোডগুলো সাজিয়ে একটা প্রিমিয়াম থিম তৈরি করেন বা BBC, CNN , দেশ বিদেশের বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলো ডিজাইন করেন, এবং সেগুলো আমাদের চোখে ইন্টারনেট ও ব্রাউজার সহযোগে দৃশ্যমান হয়ে দেখা দিচ্ছে ।কখনো কি এই সুসজ্জিত ওয়েবসাইটগুলো প্রোগ্রামার দের করা যে সব হিজিবিজি কোডিং উপর চলছে তা আপনারা কি দেখেছেন? ড্রিমওয়েভার সফটওয়্যার, ইন্টারনেট কানেকশন, ওয়েব ব্রাউজার ছাড়া এই কোডিং আমাদের চোখে সুন্দর হয়ে দৃশ্যমান হয়ে ধরা দেবেনা, নির্দিষ্ট সফটওয়্যার ব্যাতীত শুধুমাত্র হিজিবিজি কিছু লেখা ছাড়া আর কিছু নয় ।তেমনি পৃথিবীর যত পশুপাখি আছে তারা কিন্তু নিজেদের কে একজন থেকে আরেকজনকে পৃথক করতে পারে ।এটা আপনি আপনার গৃহপালিত পশু পাখি গুলোর প্রতি লক্ষ্য করলে খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবেন ।একটা মুরগী তার ছানা গুলো বাদে অন্য ছানা গুলোকে ঠিকই পৃথক করে ফেলে বা আক্রমন করে । একটা গরুর বাছুর ঠিকই দুধ খাবার জন্য দশটা গাভীর ভিতর থেকে তার মাকে ঠিকই আলাদা করে চিনে তার কাছে এসে দুগ্ধ পান করে । এতক্ষন এটাই বলছি আপনি আস্তিক হোন আর নাস্তিক হোন মহান স্রষ্ঠা তার সৃষ্টির ভিতর একেক সৃষ্টিতে একেকটা সফটওয়্যার বা রিডার সেট করে দিয়েছেন । স্রষ্ঠা যে সৃষ্টির ভিতর যতটুকু ক্ষমতাসম্পন্ন রিডার সফটওয়্যার দিয়েছেন ততটুকুই আমরা অনুধাবন করতে পারি, ততটুকুই আমরা বুঝতে পারি, আর স্বল্পজ্ঞানের কারনে অন্যান্য মাখলুকাতকে শুধুমাত্র দু পা বিশিষ্ট বা চার পা

(৫০)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!