কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১২৭+১২৮

0Shares

## সালমান শাহ এর ইউনিক স্টাইল এখনো ফ্যাশন সচেতনদের জন্য আইকনিক একটা ব্যাপার । এবং ফ্যাশন গুলো এত বছরেও পুরাতন বা ব্যাকডেটেড হয়নি । আপডেটেডই মনে হয় এত বছর পর ।

## উনার আকস্মিক মৃত্যূতে বেশ কজন মেয়ে ভক্তের আত্বহত্যার খবর পাওয়া যায় । হলিউড বলিউডে  বা পৃথিবীর কোন রোমান্টিক ফিল্মস্টার এতটা জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেননি যে তার জন্য কোন নারীভক্তরা আত্বহত্যা করতে পারে ।

সালমান শাহ এর উপরোক্ত ব্যাপারগুলো থেকে বুঝুন হিপ্নোটিজম আর স্টারিজম কাকে বলে ?     

   ##জেফ থমসন##

টমাস জেফরি থমসন -(জন্ম ১৯৫০ অস্ট্রেলিয়া ) ওরফে জেফ থমসন(১৯৭২-১৯৮৫)। এখন পর্য্যন্ত পাকিস্তানী পেস লিজেন্ড শোয়েব আক্তার কে ধরা হয় পৃথিবীর সর্বোচ্চ গতিস্পন্ন বোলার। ২০০৩ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারী দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে বিশ্বকাপের ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই রেকর্ড করেন । বলের গতি ছিল ১৬১.৩ কি.মি প্রতি ঘন্টাতে । তবে একটা বিতর্ক প্রচলিত আছে যে সে সময়ের বিপক্ষদলীয়  কিছু খেলোয়াড় দের মতে এবং অস্ট্রেলিয়ান উইকেট কিপার রডনি মার্শ এর মতে জেফ থমসন  তার ক্যারিয়ারের প্রথম কয়েকবছর  ১৭০ থেকে ১৮০ কি.মি গতিতে বল করতে পারতেন !!!! । তখন বলের গতি পরিমাপক যন্ত্র বা  স্পিডগান ছিলোনা বা আবিষ্কৃত হয়নি তখনও ।
jeff thomson

(১২৭)

         গতির বিষয়টা এখনো বিতর্কিত, তবে ১৯৭৫ এ ওয়েস্ট ইন্ডিজ এর সাথে ম্যাচে একটি হাইস্পিড ফটোসনিক ক্যামেরাতে ১৬০.৪৫ গতিতে বল করেন এটা পরিমাপ করা হয়। স্পিডগান ক্রিকেটে আসতে আসতে ওনার গতি ১৫০ এর ঘরে নেমে আসে। ফলে ওনার গতির ব্যাপারটা রহস্য বা ক্রিকেটের মিথ হিসেবেই থেকে যায়। তবে ওনার সময়ে ওনাকে ফেস করা ব্যাটসম্যানেরা অনেকেই ১৭০ গতির ব্যাপারটা স্বীকার করেন। এবার একবার ভাবুনতো ভিডিও ক্যামেরা বা ফটো তোলার কোন টেকনোলজি না থাকাতে গত মানব সৃষ্টির শুরু থেকে বিগত ১৮০ বছরের আগ পর্যন্ত কত কিছু আমাদের কাছে অদেখা রইলো, আর কালের গর্ভে হারিয়ে গেলো, ব্যাপারটা জেফ থমসনের জন্য বললাম না, স্পিডগান না থাকার জন্য ১৭০ গতির বল যেমন পরিমাপ করে জেফ থমসনের স্বীকৃতি বঞ্চিত থাকা আর ক্যামেরা আবিষ্কার না হওয়ায় বিগত ১৮০০ বছরের আগের ইতিহাসের সরাসরি ভিডিও না থাকবার ভিতর একটা আফসোস আছে সেটাই বললাম। মানে ১৮০০ সাল এর প্রথমদিক  পর্য্যন্ত যত ইতিহাস তা লিখিত ও হাতে অঙ্কিত। ক্যামেরা দ্বারা তোলা ও ভিডিও করা ১০০% নিখুত বা প্রমাণিত দলিল নেই ।ক্যামেরার ইতিহাসটা যদি বলি সেটাও বিস্ময়কর। ১০২১ সালে ইরাকী বিজ্ঞানী ইবন আল হাইসাম তার বুক অফ অপটিকস এ ক্যামেরার একটা নকশা ও কার্যাদীর আইডিয়া দেন। হালাকু খানের বাগদাদ আক্রমণের কারনে হোক আর মুসলিম জাতির জ্ঞান বিজ্ঞানের থেকে দুরে সরে যাওয়ার কারনে হোক ওনার এই আইডিয়া পরবর্তীতে মুসলিম জাতি কাজে লাগাতে পারেনি এবং এই প্রচেষ্টাও আর এগোয়নি। যেমন হিন্দু পুরাণ বা মহাভারতের ইতিহাসে বিমানা নামে হারিয়ে যাওয়া একটা চ্যাপ্টার এর কথা বলা হয় । যেটা নাকি বর্তমানের বিমান বা উড়োজাহাজ তৈরির ফর্মুলায়। আসলে আধুনিক আবিষ্কার কয়েকহাজার বছর আগেই হয়ে গেছে। কিন্তু এগুলো নির্দিষ্ট দল বা সংঘের হাত থেকে এসে সার্বজনীন হতে এত সময় লেগে গেলো। তবে মিথোলজির এই সুত্র ধরে একজন ভারতীয় শিবকর তলপেড়ে ১৮৯৫ সালে নাকি আবিষ্কারের কাছে পৌছে গেছিলেন। তার ৪৭ বছর আগে জন স্ট্রিংফেলোও একই কাজ করেন।

(১২৮)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!