কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১৬৯+১৭০

0Shares

        তাহলে আমি আর কি বলবো ? সত্য না মিথ্যা বলতে পারলামনা । তবে একটা পরামর্শ দিতে পারি , তা হলো নিজের ভাগ্য যদি উন্নয়ন করতে চান তবে প্রচুর পরিশ্রম করুন আর সৃষ্টিকর্তার উপর বিশ্বাস রাখুন , ভাগ্য উন্নয়নে পরিশ্রমের বিকল্প নেই , সাফল্যের শর্টকাট পথ হয়না  ।তারপরে যদি সফলতা কে ছুতে না পারেন তবে সেটা আপনার নিয়তি , জ্যোতিষবিদ্যাও এটা স্বীকার করে যে আপনার ভাগ্যের ৯০% আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে বা পরিবর্তন করতে পারেন , বাকি ১০% হল নিয়তি , যার উপর আপনার আমার কোন হাত নেই  ।     

ÔÔ সৃষ্টি রহস্য ও স্রষ্ঠার অস্তিত্ব সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ কি আছেন ÕÕ?

         আল্লাহ , ঈশ্বর , ভগবান , গড , সৃষ্টিকর্তা যে নামে ডাকিনা কেন তিনি একজনই তা আমরা  সবাই মানি , মানব অস্তিত্ব এর সাথে একটা  প্রশ্ন জড়িত যে আল্লাহ বা সৃষ্টিকর্তা আছেন কিনা , তিনি কি সত্যিই আছেন ?তার সৃষ্টি কত আগের , তিনি কি অনাদি অনন্ত ?যদি অনাদি অনন্ত হন তবে সেই অনাদি অনন্ত বলতে কি বোঝায় বা কত আগের বোঝায় (উইকি , হিন্দু ও মুসলিম ধর্মগ্রন্থে পাওয়া রেফারেন্স ভিত্তি করে ) ।মানুষের সাথে স্রষ্ঠার যোগাযোগের সব থেকে বড় মাধ্যম হলো মানুষের এক বাক্যের একটা চিন্তা সেটা হলো আমি কোথা থেকে এলাম কিভাবে এলাম কে আমাকে সৃষ্টি করলো , এই চিন্তাটা সহজাত ভাবে আমাদের মাথায় আসে বলে আমরা স্রষ্ঠাকে খুজি , স্রষ্ঠাকে পাবার চেষ্টা করি ।এই চিন্তাটা মাথাতে না থাকলে বা আমাদের মাথায় যদি না আসতো তবে আমরা স্রষ্ঠাকে নিয়ে ভাবতামনা বা স্রষ্ঠাকে পেতামনা ।স্রষ্ঠাকে যেখানে সেখানে খালি চোখে দেখা যায়না , সবার দেখার চক্ষু থাকেনা । তিনি ধরা দেন অনুভূতিতে উপলব্ধিতে ।স্রষ্ঠাকে বিশ্বাস নিয়ে দুটো শ্রেনী আছে ।একদল হলো স্রষ্ঠাতে বিশ্বাস করে আরেকদল হলো স্রষ্ঠাতে বিশ্বাস করেনা ।স্রষ্ঠাতে বিশ্বাসীরা হলো আস্তিক আর অবিশ্বাসীরা হলো নাস্তিক ।সব যুক্তি অস্বীকার করে স্রষ্ঠাকে অস্বীকার করে দিলে হয়ে গেল নাস্তিকতা ।

(১৬৯)

         তাই নাস্তিকতা নিয়ে বলার বিশেষ কিছু নেই , তবে মানুষ কেন নাস্তিক হয় বা নাস্তিকতাতে বিশ্বাসী  হয় সে ব্যাপারে এই স্রষ্ঠার অস্তিত্বের অধ্যায়ের শেষে কয়েকটি বাক্যে আলোচনা করবো ।এখন স্রষ্ঠাতে বিশ্বাসী হই আর অবিশ্বাসী যাই  হইনা কেন আসুন সৃষ্টিতত্বের কিছু ব্যাপার স্যাপার নিয়ে ভাবি ।নিরপেক্ষ মনে ভাববো অবশ্যই , আস্তিক হই আর নাস্তিক হই কোন পক্ষে যাবোনা ।  শুধু কি বলছি শুনে  যাব আর গভীর থেকে ধরবার চেষ্টা করে যাবো , বিবেকের থেকে সত্যি বা মিথ্যা বোঝার চেষ্টা করে যাবো । আসুন শুরু করা যাক , কার ইশারাতে আমি ও আমার শরীরের সমস্ত অঙ্গ প্রতঙ্গ গুলো সুনির্দিষ্ট ছন্দ মেনে চলছে , দিনের পর দিন পৃথিবীতে একই নিয়মে দিন এর স্থানে দিন আর রাতের স্থানে রাত হচ্ছে ।    সৃষ্টির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত এর কোন বাত্যায় ঘটেনি ।আচ্ছা মানুষ স্রষ্ঠার অগনিত সৃষ্টির মধ্যে একটা সৃষ্টি মাত্র ।মানুষ সৃষ্টির ভিতর সেরা এটা যেমন সত্য তেমনি মানুষের মস্তিষ্ক সবার থেকে উন্নত এটাও আমরা জানি , বিজ্ঞানীদের দ্বারা সেটা প্রমাণিতও ।  কিন্তু কথা হলো বিজ্ঞান মানুষের ব্যাপারে যতটা না জেনেছে অন্যান্য প্রানী , কীটপতঙ্গ , গাছপালা এর মস্তিষ্কে বা মনে কি খেলা চলছে , তারা কি জানে , তাদের মস্তিষ্কে কি সব চিন্তা খেলা করে, তাদের চোখে তারা এমন কিছু দেখতে পায় কিনা যেটা মানুষ দেখেনা , কিন্তু তারা দেখে এরকম বাপারে গবেষণা বা জানার ব্যাপার মানুষের শূন্য এর কোটায় ।আমাদের পৃথিবীর বাইরের মহাবিশ্বের ব্যাপারে জানার মত সমান গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো পৃথিবীর সকল ক্ষুদ্র ও বৃহৎ কীটপতঙ্গ থেকে শুরু করে সকল পশু পাখির ভাষা বোঝবার কোন যন্ত্র আবিষ্কার করা । একেকটা কীটপতঙ্গ , একেকটা প্রাণী হল বিজ্ঞানের অজানা ও অদ্যাবদি অনাবিস্কৃত সুবিশাল জ্ঞানের ভান্ডার । পশুপাখির ভাষা আপনি আমি বুঝতে পারছিনা ঠিক আছে , তাতে কোন সমস্যা ও নেই , কিন্তু একটা কাজ করবেন , কাজটা হল যে কোন কীটপতঙ্গ , পশুপাখির জীবনাচরণ খেয়াল বা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন । তারা কিভাবে খাবারের খোজ পায় , কোন ধরনের খাবার কোন প্রাণী বেশি খায় ? বিজ্ঞান ওই খাবার গুলোর ব্যাপারে কি বলে ?

(১৭০)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!