কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৮৭+২৮৮

0Shares

ধরুন মাঝে মাঝে আমরা পত্রিকাতে দেখি ভন্ড ক্লাস এইট পাস কোনরকম পল্লিচিকিৎসক ডিগ্রি ও নেই ,  এরকম হাতুড়ে ডাক্তার রা দিব্যি বড় বড় অপারেশন করে ফেলছে দীর্ঘ ২০ বছরেও মানুষ তাদের কে ধরতে পারেনি , তারা কত দক্ষ তাহলে বুঝুন যে অভিজ্ঞ শিক্ষিত মানুষেরাও একটু আচ করতে পারেনি তাদের ব্যাপারে , সন্দেহ করেনি তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার , এরকম ব্যাপারটা হলো তখন ঘটেছিল , এই সব আবিষ্কৃত বিজ্ঞান তখন ছিল গৃহত্যাগী সন্ন্যাসী ,পীর দরবেশদের ভিতর সীমাবদ্ধ , পরম্পরাতে তারা এগুলো তাদের উপযুক্ত শিষ্যের কাছে দিয়ে যেতেন , ধরুন আপনি বলতে পারেন যদি তারা জ্বীন বা অপদেবতা ডাকতে পারতো কোন কায়দাতে তাহলে সেটাও তো তারা হয়তো অদৃশ্য কোন জগতের সাথে বা আমাদের অদেখা বা আমাদের মাত্রার বাইরে কোন জগতের জীব দের সাথে সম্পর্ক তারা স্থাপন করতে পেরেছিল ,স্থাপন করতে পেরেছিল যোগাযোগের কোন লিংক ও হতে পারে ,  বিশ্বাস করতে বলছিনা ,  পরে এই বিভিন্ন যায়গা বনের সন্ন্যাসী , কোন শহরের জ্ঞান পিপাশু ব্যাক্তি সবার আবিষ্কৃত বিদ্যা ক্রমান্বয়ে সবার কল্যানে ও বাবসায়িক স্বার্থে চলে এসেছে মানুষের মাঝে ,  তাই এখন আমাদের বর্তমান যুগে আমরা বিজ্ঞান নয় সেই আদিকালের যাদুর মদ্ধ্যে আছি আপনি বা আমি বুঝতে পারছিনা সেটা  ।‌ ধরুন টেলিভিশন অন করতে সুইচ টিপতে হবে , সাউন্ড বাড়াতে বা চ্যানেল ঘোরাতে  অনেক কিছু করতে হবে , কিন্তু আপনি ভাবছেন যদি এখন বিছানা থেকে উঠে না ঘোরাতে হতো টিভিটা , এমন কিছু পাওয়া যেতো যে দুর থেকে টিভি চালানো যাবে , তাহলে ভাবুন আপনার হাতের রিমোটটি কত বড় যাদুর জিনিস ।আপনি তো শুধু রিমোটের সুইচটা টিপ দেন ।কিন্তু ওতে টিপ দেবার সাথে অদৃশ্য কে বা কি আপনার হয়ে টিভির চ্যানেল ঘুরিয়ে দিচ্ছে বলুন তো , খালি চোখে ওই রশ্মিকে আপনি দেখতে পাননা । এটা যাদু মনে হয়না ? যাদু মনে হয়না এজন্য যে এটা আপনার বা সমাজের সবার জন্য সহজলভ্য হয়ে গেছে তাই ।

(২৮৭)

পৃথিবী ও মহাজগত অসীম শক্তিরও জ্ঞানের  আধার, ‌ এখানে যা নিয়ে ভাববেন , যা নিয়ে নাড়াচাড়া করবেন কিছু না কিছু আবিষ্কার হয়ে যাবেই, এখানে পাথরে পাথরে ঘষা লেগে আগুন জ্বলে ,হাতে হাতে বাড়ি দিলে শব্দ হয়,  পানিতে পড়লে মানুষ ডুবে যায় ,  আবার কৌশল জানলে পানিতে ভেসে জলজ প্রাণীর মত মানুষ ও চলতে পারে , আপনার হাতের স্পর্ষ না পেলে বৈদ্যুতিক টেস্টার  জ্বলেনা , কত কিছু হয় আপনি আমি খেয়াল করিনা ,। একটা মাছি মেরে কোথাও ফেলে রেখে খেয়াল করবেন কিভাবে প্রথমে একটা পিঁপড়া কিভাবে মরা মাছি তার সন্ধান পায় ,তারপরে বিভিন্ন যায়গাতে গিয়ে একেকটা করে পিঁপড়া কে খবর দিয়ে সারিবদ্ধ লাইন দিয়ে এসে মাছিটা কে নিয়ে যায় , পিঁপড়া পিঁপড়ার সাথে কিভাব কথা বলে বা পরামর্শ করে সেটা খেয়াল করবেন , এভাবে খেয়াল করলে দেখবেন কত কিছু আপনার দেখা নেই ।  আবার পৃথিবীতে যত পিঁপড়া আছে তা মানুষের থেকে ও সংখ্যাতে বেশি । আবার সবকিছু আপনি বা আমি সবকিছু বুঝি বলা ভুল । পিপড়া কবর দেয় কোন পিপড়া মরলে সেটা জানেন ?  ।‌ আমরা অন্যান্য প্রাণীর কিছু জিনিস বা মহাবিশ্বের বাইরের অনেক কিছু বা যেটুকু জেনেছি সেগুলো হলো আমাদের শেখা ও বোঝা ও আমাদের মানব জীবনের সাথে যেগুলো মেলে সেগুলো , বা পৃথিবীর রুপের সাথে যেগুলো মেলে সেগুলো সম্বন্ধে আমরা শুধু বুঝতে বা জানতে পারি , ‌ আর এই জানা বোঝার সীমাবদ্ধতা দিয়ে আমরা পৃথিবীর বাইরের বসবাস যোগ্য পৃথিবী ও প্রানের সন্ধান করতে যাই ‌, স্বয়ং নাসাতে ও এই থিম কাজে লাগিয়ে সব কিছু খোজা হচ্ছে , কিন্তু এভাবে খুজলেই যে পাওয়া যাবে বা মানুষের জ্ঞান বা মানুষের বোঝাতে সবকিছু জ্ঞান এ আটবে বা পৃথিবীর মত আবহাওয়া না থাকলে বসবাস করা যাবেনা ‌ বা মানুষের মত না চললে বা না খেলে যে জীবন ধারন করা যাবেনা এই থিম মানুষের মাথাতে আসবেনা , এ জন্য মানুষ আল্লাহর সৃষ্টির অনেক কিছু দেখতে পাবেনা , মানুষের বোঝার এবং দেখার একটা সীমাবদ্ধতা আছে,

(২৮৮)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!