কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৩৩০

0Shares

অতিক্রমকারী জ্ঞান নেই বলেই আমরা বর্তমানে মঙ্গল ও শুক্রগ্রহে ভীনগ্রহীরা আছে কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছিনা , তারা তাদের নভোযান গুলো নিয়ে আসছে আমাদের পৃথিবীতে কিন্তু ,আমরা দেখতে পাচ্ছিনা । খোদ আমাদের পৃথিবীতে অনেক অজানা সৃষ্টজীব আমাদের পাশ দিয়ে ঘুরছে আমরা দেখতে পাচ্ছিনা , পৃথিবীর অনেক সৃষ্টির অনেক কথাও শুনতে পাচ্ছিনা আমাদের ডাইমেনশন , দৃষ্টি ও শ্রাব্যতার সীমাবদ্ধতার কারণে ।আবার হয়তো অনেক সৃষ্টি আমাদেরকেও দেখতে পাচ্ছেনা ।আবার শোনা যায় পৃথিবীতে যে ঘটনা ঘটছে , যে কথা বা শব্দ হচ্ছে সব নাকি মহাকাল সেভ করে রাখছে ।পৃথিবীর যত স্মৃতিধারক যন্ত্র আছে সেগুলো সবই তড়িৎ ও চুম্বক ব্যবহার করছে ।তাহলে মহাবিশ্বের তড়িৎ চুম্বক ক্ষেত্র কি সেই কাজ করছে , যদিও এই ক্ষেত্রের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ আরো অনেক কাজ আছে ।যদি কোনদিন টাইম মেশিন আবিষ্কৃত হয় বা টাইম মেশিন আবিষ্কার অবধি মানবজাতির অস্তিত্ব থাকে তবে অনেক কিছুর সমাধান হয়তো তখন হয়ে যাবে ।প্রাচীন হারানো অনেক সভ্যতা আটলান্টিস , ভারতীয় বা মিশর সভ্যতা বা তাদের কালোজাদু শুধু বিজ্ঞান নয় , বিজ্ঞানের উপরে কিছু হয়তো ধরে ফেলেছিল ।যেটা বর্তমান বিজ্ঞান বিশ্বাস করে , কিন্তু স্বীকার করেনা , লাগাতার প্রচেষ্টা হয়তো বর্তমান বিজ্ঞান গোপনে সেটা ধরবার জন্য করে যাচ্ছে ।পৃথিবীতে বিজ্ঞান সব কিছুর ব্যাখ্যা দিতে পারবেনা , কিন্তু তাই বলে , ভাগ্য , অদৃশ্য , অতিপ্রাকৃত , স্রষ্ঠা  বলে কিছু থাকবেনা এটা আপনি আমি ও বিজ্ঞান না মানলেও থাকবে , এই ধ্রুব সত্যগুলো  মিথ্যা হয়ে যাবেনা । মাঝে মাঝে নিজেকে ট্রাভেলিং সোলজার বা কসমিক ট্রাভেলার মনে হয়, মন ও দৃষ্টি দুইই উদাস হয়ে যায় , মহাশূন্যের অসীমে বিলীন হয়ে যায়। পৃথিবী নামক মহাউপাখ্যানের হারিয়ে যাওয়া পৃষ্ঠাগুলো খুজে পেতে ইচ্ছে করে ।

         মনে মহাকালের সীমা অতিক্রমকারী প্রশ্ন জাগে, টাইম মেশিনে বসে টাইম ট্রাভেলার হয়ে পৃথিবীর হারানো সুরের শ্রোতা আর মহাকালের গর্ভে বিলীন হওয়া সুদুর অতীতের হারানো সময়ের দর্শক হতে বড় ইচ্ছা হয় , অনেক প্রশ্নের উত্তর খুজে পেতে ইচ্ছা হয় , আমার  পূর্বপুরুষদের মুখশ্রী , হাজার হাজার বছর আগের সম্রাট আলেকজান্ডার দি গ্রেট, টাইগ্রিস , ইউফ্রেটিস , পদ্মা , মেঘনা,  গঙ্গা , যমুনা

(৩৩০)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!