কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৪১+৪২

0Shares

তার বিহীন ভাবে হাজার মাইল দূর থেকে কথা বলাটা বিস্ময় বটে, যেখানে শুধু আলাদা নাম্বার এর উপর ভিত্তি করে আলাদা নির্দিষ্ট বাক্তির নাম্বার এই ফোন যাচ্ছে, আকাশ পথে কোথাও সংঘর্ষ হয়ে এক নাম্বার আরেক নাম্বার এর বাক্তির কাছে যাচ্ছেনা, আপনার আমার পাশের খালি যায়গাটা যে রহস্যময় একটা  কিছুতে পূর্ণ বা আপনি আমি যে অদৃশ্য কোন মাধ্যমের ভিতর বসবাস করছি সেটা এই মোবাইল বা টিভি না দেখলে বোঝা যেতনা । 


চতুর্থ মাত্রাঃ যদি আপনি চতুর্থ মাত্রার ঘনক তৈরী করতে চান তবে আপনাকে অসীম সংখ্যক ত্রিমাত্রিক ঘনক পাশাপাশি যুক্ত করতে হবে। চতুর্মাত্রিক পদার্থ সময়কে অতিক্রম করতে পারে । অর্থাৎ আপনি যদি চতুর্মাত্রিক প্রাণী হোন, তাহলে আপনি চাইলেই অতীতে অথবা ভবিষ্যতে যেতে পারবেন।

মানে সময় ভ্রমন(TIME TRAVELL) সম্ভব হবে। এভাবে আপনি চাইলেই অতীতে গিয়ে কোন কিছু পরিবর্তন করে বর্তমানকে পরিবর্তন করতে পারবেন । অবশ্য টাইম মেশিন বা টাইম ট্রাভেল এর এই তত্ত্বটা পারষ্পরিক সাংঘর্ষিক ।কারণ আপনি পিছনে যাবেন সমস্যা নেই , কিন্তু বর্তমান পরিবর্তন করার মতো কিছু করলে পৃথিবী ধ্বংস হতে সময় লাগবেনা ,কারণ মানব যার যার ইচ্ছামতো পৃথিবীর পরিবর্তন করলে শেটা নিশ্চয় কারো জন্য হিতকর হবেনা ব্যাপারটা ।

পঞ্চম মাত্রাঃ পঞ্চম মাত্রায় গেলে আপনি আপনার সমান্তরাল ভবিষ্যতগুলোতে যেতে পারবেন। মানে ধরুন আপনার এখন মনে হলো যে, এখন আপনি প্রিয়ার হাতে হাত রেখে সমুদ্রে জ্যোৎস্না স্নান করবেন, তাহলে এখন আপনি মূহুর্তের মধ্যেই দেখবেন আপনি প্রিয়াকে নিয়ে সমুদ্রের পাড়ে বসে আছেন। মানে বাপারটা আলাদীনের চেরাগ পাওয়ার মত । তার জন্যে অতীতকে যেভাবে পরিবর্তন করা দরকার হবে, অতীত নিজেই সেভাবে পরিবর্তিত হয়ে যাবে। ব্যাপারটা খুবই মজার । আরেকটা বিষয়ে বলি তা হলো, কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কাজ হচ্ছে পঞ্চম মাত্রায়। যে কণা পঞ্চম মাত্রার উপর যতো বেশি দখল রাখবে, সেই কণা ততো বেশী তরঙ্গধর্ম প্রদর্শন করে । ফোটন কণা পঞ্চম মাত্রায় থাকে বলেই একটি ফোটন কণা একই সময়ে ভিন্ন যায়গায় অবস্থান করতে পারে।

(৪১)

ষষ্ঠ মাত্রাঃ ষষ্ঠ মাত্রায় আপনি বিগব্যাং বা মহাবিষ্ফোরণ এর পর এই মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে চলে যেতে পারবেন। আপনি হয়তো চিন্তা করতে পারেন, এই কাজ আপনি চতুর্থ মাত্রাতেই করতে পারবেন। হুদাই ষষ্ঠ মাত্রাতে যাবার কি দরকার? আসলে আপনি চতুর্থ মাত্রা ব্যাবহার করে অতীতে যেতে পারবেন, কিন্তু নিজের জন্মের আগে যেতে পারবেন না। নিজের জন্মের আগে যেতে হলে আপনাকে ষষ্ঠ মাত্রাতেই যেতে হবে । বিভিন্ন জ্ঞানী স্কলাররা মনে করেন কাউকে যদি হিন্দুদের দেবতা শিবের মত ক্ষমতার অবতার হতে হয় তবে তাকে কমপক্ষে এই ষষ্ঠ মাত্রার ক্ষমতাবান বা ষষ্ঠ মাত্রার মানুষ বা সৃষ্টি বা এলিয়েন হতে হবে ।

এ রকমটা ভেবে অনেক বিজ্ঞানীরা বা ভারতীয়রা,  গ্রীক,  ইনকা, মায়া সভ্যতাতে অবতারদের সাথে এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল এবং  প্রাচীন অ্যাটমিক এনার্জির সন্ধান পান ।এ রকম একটা বিস্ফোরক ব্যাপার ঘটে ভারতীয় বর্তমান সময়ের বিখ্যাত যোগী সাধুগুরু(jaggi vasudev)এর রহস্য অনুষ্ঠান MYSTIC OF INDIA তে অভিনেত্রী

 কঙ্গনা রণৌত এর উপস্থিতির  একটি c‡e©| এই অনুষ্ঠানটিতে ভারতের সকল নামী ব্যাক্তিত্বের উপস্থিতি ও আধ্যাতিক আলোচনা লক্ষনীয় ।ইচ্ছা হলে আর কঙ্গনার নিজ ভাবনার বা মতামতের ভুল কথা ছাড়া কিছু মনে না করলে এই ভিডিও লিংকটি আপনার ব্রাউজারে পেস্ট করে দেখতে পারেন । মনে হয় নিছক আলোচনা ক্ষেত্রে বেফাস মন্তব্য করে ফেলেছেন ,যেমনটা হয় আমাদের দেশে শাহরিয়ার নাজিম জয়ের উপস্থাপনায় সেন্স অফ হিউমার অনুষ্ঠানে। সঠিক মত হিসেবে বলেননি। লিংকটি https://www.youtube.com/watch?v=rRKMqFPI8sI/হিন্দী ভালো বুঝলে  কঙ্গনা রণৌত এর এই পর্বটি পুরো দেখলে অনেক জ্ঞানমুলক ব্যাপার সম্বন্ধে আপনি জানতে পারবেন ।

সপ্তম মাত্রাঃ সপ্তম মাত্রার প্রাণী হলে আপনি বা আমি  আমাদের মহাবিশ্ব এমন না হয়ে অন্য যেমন হতে পারতো সেই সকল মহাবিশ্বে যেতে পারতাম ।

অষ্টম মাত্রাঃ অষ্টম মাত্রায় গেলে আপনি যেতে পারতেন অন্য যে কোন সমান্তরাল মহাবিশ্বে (PARALLEL UNIVERSE )।

(৪২)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!