কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৪৩+৪৪

0Shares

নবম মাত্রাঃ নবম মাত্রায় যদি আপনি কখনো যেতে পারেন তবে আপনি যেকোন মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে চলে যেতে পারবেন। তবে অষ্টম মাত্রা ও ষষ্ঠ মাত্রা ব্যাবহার করেও কাজটি আপনি করতে পারতেন। অষ্টম মাত্রা ব্যাবহার করে অন্য কোন মহাবিশ্বে এবং পরে ষষ্ঠ মাত্রা ব্যাবহার করে সেই মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে যাওয়া সম্ভব। তবে এটি একটু সময় সাপেক্ষ। নবম মাত্রা দিয়ে আপনি মুহুর্তেই যে কোন মহাবিশ্বের যে কোন সময়ে যেতে পারবেন। ওহ মাই গড, এগুলো কি ভাবা যায় !!!!!! এগুলো সব স্ট্রিং থিওরি এর কথা ।স্ট্রিং থিওরি এর মতে এই মাত্রা ১০ টি মতান্তরে ১১ টি  ।

তবে এই বিজ্ঞানের দেওয়া মাত্রার সঙ্গা থেকেই বুঝুন কেন আল কোরআনে স্রষ্ঠাকে মহাজ্ঞানী বলা হয়, মাত্রার সঙ্গাতেই যদি কোন কিছুর ইচ্ছা বা কল্পনা করলে হতে পারে তাহলে স্রষ্ঠার বাণী হও বললেই সব সৃষ্টি হয়েছে সেটা সত্য হবেনা কেন ? এই মাত্রার এই ব্যাপারটা আমি বুঝিনা, আমি বুঝি অন্যভাবে আমি যেভাবে বুঝি সেটা এই বইয়ের পরবর্তী অংশে আছে ।

আমরা জানি বল (FORCE) হল চার প্রকার, মহাকর্ষ বল, তাড়িত চৌম্বক বল ,  সবল নিউক্লীয় বল, দূর্বল নিউক্লীয় বল । কিন্তু আরো একটা বল আছে যেটা এই সকল বলগুলোর একটা কমপ্লেক্স, কিন্তু এই বলগুলোর একটাও না । বলা হয় প্রাচীন মিশরীয় ফারাউরা এই বল কিছুটা হলে ধরতে শিখেছিল ।

      ২০১৭ তে হাঙ্গেরীর পদার্থবিদ আটিলা ক্রাজনাওর্ক্  প্রোটন কণাকে লিথিয়াম – ৭ নামক লিথিয়ামের আইসোটোপ দিয়ে আঘাত করে উৎপন্ন হওয়া পরীক্ষার ফলাফলে ফিফথ ফোর্সের কিছুটা আচ পান । হয়তো দুর ভবিষ্যতে ওনার এই সুত্র ধরে মানুষ রহস্যময় ক্ষমতাধর ফিফথ ফোর্সকে আয়ত্ব করে ফেলবে ।

চোখ, কান, নাক, জিভ, ত্বক এই পাঁচটি ইন্দ্রিয় মানুষের। কিন্তু আরও একটা ইন্দ্রিয় আছে মানুষের, ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়, সেটাকে অনেকে বলতে চান আমাদের মন বা মস্তিষ্ক ।কিন্তু এক্সাকটলি আমাদের মন বা মস্তিষ্ক ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় নয়। তবে কী ? সেটার আলোচনা আমিও করতে পারবো কিছুটা, কিন্তু সেটা করতে গেলে আলোচনার কলেবর অনেক বেড়ে যাবে। তবে গবেষক দের মতে আমাদের মস্তিষ্কের বিশেষ একটি অংশ ষষ্ঠ ইন্দ্রিয়ের কাজ করে। অনেকে এটাকে অবসেন্স মাইন্ড বা অবচেতন মন বলে থাকেন । কিন্তু এটা সেটাও না। ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় ক্ষমতা ০৫ টি সুপার ন্যাচারাল

(৪৩)

বিদ্যা/বিষয়ের সমষ্টি(টেলিপ্যাথি, মাইক্রেমেট্রি,প্রিকগনিশন,রিকগনিশ্‌ন, ক্লিয়ারভয়েন্স )। তবে ব্রুস উইলিসের দি সিক্সথ সেন্স (১৯৯৯)মুভি দেখলে এটা সম্বন্ধে কিছুটা অনুমান আপনি পেতে পারেন । সিক্সথ সেন্সের অধিকারীরা ভূত দেখা , মৃত মানুষের আত্বা দেখা,  কারো মৃত্যূ সম্বন্ধে ভবিষ্যতবাণী সহ অসীম স্মৃতিশক্তির অধিকারী হতে পারেন । কেউ বলেন এটা সাইকোপ্যাথ জাতীয় সমস্যা, কেউ বলেন এটা অবিশ্বাস ও করা যায়না , কালেভদ্রে অনেক সময় মেলে ব্যাপারটা বলে ।

৬১) পুরাণ কি ? পুরাণ কি মিথ্যা ? পুরাণ কি শুধু মিথ ? পুরাণ কি শুধু উপকথা রুপকথা ? মোটেই না পুরাণ সুদূর অতীতের এক হারিয়ে যাওয়া সত্য, সুদূর অতীতের হারিয়ে  যাওয়া এক অকাট্য বাস্তব ।ইলিয়ড,অডিসি, ট্রয়, রামায়ন মহাভারত,আটলান্টিস কিছুই মিথ্যা নয় । মিথ্যা যদি হত তাহলে ইরাম, ট্রয়, মহাস্থান গড়, উয়ারি বটেশ্বর, হেরাক্লিওন পুনরায় আবিষ্কার হতোনা । তাহলে পুরাণ মিথ্যা কেন হয়ে যায়, গুরুত্ব কেন হারায় ? এই কারনে হারায় যে পৃথিবীতে চিরকাল আজ চলে গিয়ে নতুন এক আগামী আসছে, সেই আগামীর জিনিষের কাছে পিছনের জিনিষ গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে ।গুরুত্ব হারানো সত্য ইতিহাসের নামই পুরাণ ।আমাদের এই সভ্যতায় একমাত্র চুড়ান্ত উন্নত সভ্যতা নয় , এই সভ্যতার জন্মের আগেও অনেকবার পৃথিবীতে আমাদের মত বিজ্ঞানময় আধুনিক সভ্যতার জন্ম হয়েছে , ভিন্ন কারনে তা আবার ধ্বংশ ও হয়ে গিয়েছে ।

         আপনার দাদা আর তার দাদার নাম ঊর্ধে আপনি জানেন কিন্তু তার মানে এই নয় যে তার দাদার নাম আপনি জানেন না বলে তিনি ছিলেননা, ব্রিটিশ শাসনের দাপটে আজ থেকে ৪০ বা ৫০ বছর আগের বইয়ে আমরা ব্রিটিশ শাসন ভালভাবে পড়তাম, তারপর এল পাকিস্তান শাসন, তারপর আমরা এখন পড়ি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আমাদের কাছে কিন্তু ব্রিটিশ ইতিহাসের মুল্য প্রায় উঠে গেছে , মৌর্য ,গুপ্ত ,পাল এসব শাসন ইতিহাসে উল্লেখ আছে, কিন্তু গুরুত্ত হারাতে হারাতে আজ এগুলো পুরাণ এর পাতায় চলে গেছে, আচ্ছা ১৭৫৭ সাল এর ২৩ শে জুন নবাব সিরাজ উদ্দৌলা হেরে যান, কিন্তু পলাশী দিবস তো কেও পালন করিনা,কারন এটা ও গুরুত্ত হারিয়ে ফেলেছে , এভাবে আমরা ৭১ এ স্বাধীন হয়েছি তাই ৭১ এর এত দাম, কিন্তু যদি ১০০ বছর পর কোন জাতি আমাদের দখল করে নেয়, আর

(৪৪)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!