কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১৬৩+১৬৪

0Shares

গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাসের যায়গা দখল করে নেই নতুন ইতিহাস নতুন ঘটনা । এ ব্যাপারে বিস্তারিত এবং আকর্ষনীয় আলোচনা করা হবে শেষ কয়েকটি অধ্যায়ে । আরেকটা বিজ্ঞান হলো গুপ্ত বিজ্ঞান , যেটা কখনো জন সাধারণের সামনে আসেনা বা জন সাধারণের জন্য উন্মুক্ত হওয়া নিরাপদ নয় ।এটা নিয়েও শেষের দিকে আলোচনায় আসছি । এ ব্যাপারে বিস্তারিত এবং আকর্ষনীয় আলোচনা করা হবে শেষ কয়েকটি অধ্যায়ে ।

*****জ্যোতিষবিদ্যা কি সত্যি নাকি পুরোটাই ভন্ডামী ? *******

Astronomy(জ্যোতির্বিদ্যা), astrology (জ্যোতিষবিদ্যা), astrophysics (জ্যোতিঃপদার্থবিজ্ঞান – নক্ষত্রের ভৌত ও রাসায়নিক অবস্থা সংক্রান্ত বিদ্যা )তিনটি শব্দই শুনতে এক রকম এবং অনেকে এদের পার্থক্য সম্বন্ধে বলতে পারেননা ।প্রায় এক বস্তু মনে করেন । কিন্তু এটা একেবারে তা নয়  ।এই তিনটার পার্থক্য বুঝতে আসুন একটা প্রাচীন ইতিহাস জেনে আসি । কিভাবে এলো জ্যোতিষবিদ্যা ও জ্যোতিষি । তাহলে এই তিনটি শব্দের শব্দের পার্থক্য ও বুঝে যাবেন এবং সাথে জানা হবে জ্যোতিষবিদ্যার ইতিহাস । আজ থেকে ০৫ হাজার বছর আগে মানে খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে প্রাচীন মিশর এ কিছু জ্ঞানী শ্রেণীর মানুষ আকাশের  গ্রহ নক্ষত্রের সাথে পৃথিবীর আবহাওয়া এবং জলবায়ুর একটা সম্পর্ক খুজে পান ।তাদের কাজ ছিল শুধু গ্রহ নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা এবং এর সাথে আবহাওয়া এবং জলবায়ুর সম্পর্ক খোজা । এটাকে বলা হয় astronomy- এ্যাস্ট্রোনমি বা জ্যোতির্বিদ্যা ।এভাবে তাঁরা এখনকার মত টেলিস্কোপ বা কোন  প্রযুক্তি না থাকা স্বত্তেও রহস্যজনক ভাবে মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহ ও নক্ষত্রের কার্য্য , গতিবিধি  সঠিক ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন । মিশরের নীলনদে বন্যা আসতো বছরের একটা নির্দিষ্ট সময়ে ।ব্যাপারটা এমন ছিল যে লুব্ধক(Sirius – পৃথিবী থেকে ৮.৬ আলোকবর্ষ দুরত্বে অবস্থিত) নামে একটা নক্ষত্র যদি বছরের কোন সময়ে সূর্য ওঠার একটু আগে উদিত হতো তবে নিশ্চিত ভাবে নীলনদের বন্যা হতো । আবার ধুমকেতু দেখা গেলে যে কোন কায়দাতে ফসল নষ্ট হতো বা রাজার পতন হতো।

(১৬৩)

আর আকাশের চাঁদ এবং সূর্যের আলোর প্রভাবে জোয়ার ভাটার সাধারন ব্যাপারটা তো খেয়াল করলোই ।আবার নদীতে সমুদ্রে  বা মরুভুমিতে রাতে পথ হারিয়ে ফেললে বিভিন্ন তারার সাহায্য নিয়ে দিক ঠিক করে গন্তব্যে ফিরে আসতো ।সূর্যের ছায়া ব্যবহার করে সময় ঘড়ি বানাল । ফলে এতগুলো বাস্তব এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান পেয়ে গ্রহ এবং নক্ষত্রের প্রতি তাঁদের বিশ্বাস বেড়ে গেলো ।এবার তাঁরা খুজতে লাগলো মানুষের উপর ও এই গ্রহ নক্ষত্রের কোন প্রভাব আছে কিনা ।এতদিন গ্রহ নক্ষত্র শুধু প্রকৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট মনে হলেও এবার যখন গ্রহ নক্ষত্র মানুষের জীবনের উত্থান ও পতনের সাথে জড়িত মনে করে যারা নতুন শাস্ত্র উদ্ভাবন করলো এদের কে বলা হয় এ্যাস্ট্রোলজার বা জ্যোতিষী , শাস্ত্রের নাম astrology-এ্যাস্ট্রোলজি বা জ্যোতিষবিদ্যা।

রাশিফল

রাশিচক্রের প্রচলিত নকশা – পশু পাখির বা মানব প্রতীক হলো রাশির প্রতীক , অক্ষরের মত পতীকগুলো হলো রাশি অনুযায়ী গ্রহের সংকেত , আর সর্বমাঝে সূর্য্য , পুরোটাই সৌরজগতের সাথে মিল রেখে করা রহস্যময় প্যাটার্ণ
 

(১৬৪)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!