কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২২৯+২৩০

0Shares

 ৭) তাবিজ এ বশীকরন –  তাবিজ এর দ্বারা কারো ক্ষতি বা বশীকরন এর কথা আগে আমরা শুনতে পেতাম, আজগুবি বলে উড়িয়ে দিতো । বিজ্ঞান ও এগুলো ভুয়া বলে দিয়েছে অনেক আগেই। কিন্তু এখন যে টিভিতে বিভিন্ন বাবারা বিজ্ঞাপন দিয়ে নানা সমস্যার সমাধান করছে, তারপর ভারতীয় টিভিতে দেখানো ধনলক্ষী যন্ত্র ৩৬০০/= টাকা দিয়ে মানুষ ক্রয় করছে সেটার কি বলবেন।এরা তো প্রচুর কাস্টমার পাচ্ছে তা না হলে এই যুগে টিকে থাকতো কেমন করে এই সব, আবার বিভিন্ন তাবিজের বিভিন্ন নিয়ম আছে, নানা উপকরন দরকার হয়,‌ কোনটা মানুশের বলিশের নিচে রাখতে হয়, কোনটা বাড়িতে পুতে দিতে হয় ,কোনটা আবার মানুষের বাড়ির চুলাতে পুতে দিতে হয়, চুলাতে পুতলে এমন হয় যখন চুলা জ্বলে তখন তার সারা দেহে জ্বালাপোড়া ভাব হবে, আবার ক্ষুরচালক দিলে নাকি নির্দিষ্ট চোরের মাথাতে চুল কেটে ন্যাড়া বা টাক হয়ে যাবে, সর্ষে বান মারলে নাকি পেটের নাড়ি গলে যাবে।আপনি কি তাবিজ এর নকশা দেখেছেন, ওতে কাদের নাম থাকে, কিসের সাংকেতিক চিহ্ন থাকে জানেন?, কয়েকটা তাবিজের ছবি আপনাদের কাছে দিচ্ছি, দেখুন একটা গল্প শুনেছিলাম আর একটা রাজমোহিনী তাবিজের নকশা দেখেছিলাম ,সেটা গ্রামের মাঠের ভিতর বড় একটা গাছে ঝুলছিল । সুতা দিয়ে এটা বেধে রেখেছিল কেউ ,সেটা বেধে রাখার কারন হলো ওই তাবিজ যখন বাতাসে উড়বে তখন নাকি আকাঙ্খিত মেয়েটির মন ছেলেটির দিকে আকৃষ্ট হবে বিলিভ ইট ,.হ্যাভ ইউ এ লাভার গার্ল ? !! আর শত্রু ধংশের জন্য একটা টোটকার কথা বলতো যে একটা নির্দিষ্ট মন্ত্র কাগজে বা নির্দিষ্ট একটা ফুলের উপর লিখে পুরাতন কবরে পুতে দিলে সেই শত্রু দ্রুত ধংশ হয়ে যায়। এরকম অনেক কিছ শুনেছি , কিন্তু এগুলো সত্য বা বিশ্বাস করবার দরকার নেই এবং ভাবুন রুপকথার গল্প পড়ে বা প্রেমের উপন্যাস পরে যেমন মজা পান, সিনেমা সত্যি না জেনেও যেমন দেখে মজা পান, ঠিক তেমন আমার লেখা গুলো ও সেই ভাবেই পড়ুন সত্যি বা মিথ্যা হতেই পারে। ধর্ম-অধর্ম কোন যুক্তিতে না গিয়ে শুধু বিনোদনের জন্য পড়ুন, কারণ গল্পগুলো আমার বিভিন্ন যায়গাতে শোনা এবং সে অনুযায়ী লিখেছি। তাই মিথ্যা ও যদি হয় আপনাদের জন্য বিনোদনের অভাব হবেনা  ।আর তাবিজ এর সাংকেতিক লেখাগুলো কোন টেলিপ্যাথিক(টেলিপ্যাথি হলো কল্পনা বা মনের শক্তি দিয়ে কোন

(২২৯)

মানুষের সামনে না গিয়েও তাদের মনকে তাদের থেকে অনেক দুরে থেকে প্রভাবিত করার বিজ্ঞান, এই বিদ্যার সর্বশেষ পর্যায়ে নাকি মানুষ আরেকজনের মনে নিজের ইচ্ছামাফিক কাজ ঢুকিয়ে দিতে পারে) অজানা কোন বিজ্ঞানের কাজ না তো এই তাবিজের নকশা ? কয়েকটা ছবি দিলাম, এই লেখাগুলো কোন শক্তির প্যাটার্ণ না তো ?।যেটা মুর্খ ফকিররা না বুঝেই করেন? কারা এই অদ্ভুত নকশা গুলো তৈরি করেছে , কি অর্থ লুকিয়ে আছে অদ্ভুত এসব নকশাতে। আচ্ছা পবিত্র কোরাআন তো অসীম জ্ঞানের ভান্ডার ।কিন্তু আপনি আমি নামাজের সময় কি পড়ছি বা অর্থ করে পড়লেও তো বুঝতে পারিনা মহাগ্রন্থ আল কোরআনে কি লেখা আছে ?কোন আয়াত এর অর্থ কিসের ইঙ্গিত বহন করছে ?কোরআনের আয়াতের বাংলা অর্থ বুঝলেও কি আয়াতের আসল মর্মার্থ বা বিজ্ঞানমূলক অর্থ খুজে কি বের করা সম্ভব আমাদের পক্ষে বা  আমাদের স্বল্পজ্ঞানে ?আয়াতের অর্থের ব্যাপারটা আসলে ধাঁধাঁর মত । কোরআনে আমরা নামাজ রোজা এবং সুন্নাত পালনের বাইরে অন্য কোন কিছু না পেলেও  বড় বড় স্কলার রা বলেন কোরআন থেকে অনেক জ্ঞান বা থিম আবিষ্কার করে বিজ্ঞানীরা গুরুত্ত্বপুর্ণ আবিষ্কার করে ফেলেছেন । কিন্তু আপনি আমি কোরানের হাফিয বা মুসলমান হয়েও তা ধরতে পারিনি, মুসলিম বাদে অন্যান্য জাতির জ্ঞানীরা পেরেছে, মুসলমান হয়ে এটা আমাদের আফসোসের কারন হওয়া উচিত  ।রেইকি কি জানেন ? এটা হলো এমন বিজ্ঞান যেটা নিয়ে সেই রেইকিস্ট একটা লোকের গায়ে স্পর্ষ করে অনেকটা সুস্থ করতে পারেন মানুষ কে। আকুপাংচার হলো প্রাচীন এমন এক চিকিৎসা পদ্ধতি যা মানুষ কে তার শরীরের নির্দিষ্ট পয়েন্ট এ গিয়ে চাপ দিয়ে মানুষের সুস্থতা ও কর্মক্ষমতা বাড়াই, নানাবিধ শারিরীক সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়,এক সময় নব আবিস্কৃত বিজ্ঞানের কল্যানে এগুলো ও হারাতে বসেছিল, ‌০২ হাজার বছরের ও বেশি পুরাতন এসব বিজ্ঞান আবার আসছে কিছুটা হলেও। এগুলো অপ্রচলিত হয়ে অনেক কিছু হারিয়ে ফেলেছে। চোখের সাধনা দিয়ে মানুষ কে অবশ করে আপনার দিকে নিয়ে আসাটা হলো হিপ্নোটিজম বা মেসমারিজম বা সম্মোহন, ‌এই সম্মোহনের কিছু অংশ বা নমুনা পুরুষ বা নারী মাত্র একজন আরেকজনের চোখে তাকিয়ে  পান মাত্র, এটা সামান্য উদাহরন মাত্র, প্রতারক আর টাউটরা আরো বড় বড় সম্মোহক, তা না হলে আপনি জ্ঞানী বা বুদ্ধিমান মানুষ হয়ে লাখ লাখ টাকা বা স্বর্নের গয়না  স্বামী বিদেশ থাকাতে

(২৩০)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!