কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৭৩+২৭৪

0Shares

যুগে যুগে মানুষের কাছে দুরারোগ্য রোগ এসেছে ।সেটা মানুষকে দু দশ বছর থেকে দু পাঁচশো বছর ও ভোগাচ্ছে ।আবার সেটার প্রতিষেধক আবিষ্কার করতে না করতেই আরেকটা দুরারোগ্য রোগ চলে আসছে ।ধরুন আগের যুগে জ্বর, ডায়রিয়া, যক্ষা, বসন্ত এসব সামান্য রোগে গ্রামের পর গ্রাম শত শত মানুষ মারা গেছে ।অনেক গ্রাম পুরো মানুষ শূন্য হয়ে গেছে এই রোগে ভুগে ।কিন্তু এখন এগুলোর ঔষধ আবিষ্কার হয়ে এগুলো কোন রোগের ভিতর পড়েনা ।এই রোগ গুলোতে এখন সেই মরবে যে ইচ্ছা করে ঔষধ খাবেনা ।কিন্তু দেখুন এই মহামারী গুলো নির্মূল হতে না হতেই কান্সার ও এইচ,আই,ভি এইডস মহামারী ধারন করেছে । এগুলো হলে সাক্ষাৎ মৃত্যু ছাড়া কোন উপায় নেই ।ঔষধ পত্র বা চিকিৎসা যেটুকু আছে সেটুকু দিয়ে হয়তো কদিন বেশি পৃথিবীর আলো  বাতাস ভোগ করা যায় মাত্র ।আবার কয়েকদিন আগে শুনলাম শাবিপ্রবি এর একদল গবেষক নন লিনিয়ার অপটিকস নামে একটা পদ্ধতিতে ১০ মিনিটে ক্যান্সার হবার বেশ কবার বছর আগে থেকে আপনাকে সাবধান এবং সুস্থতার নিসচয়তা দেওয়া যাবে ।এটা কিন্তু বাংলাদেশী বিজ্ঞানীদের কৃতিত্ব । ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে মানবজাতি এগিয়ে গেলো বিরাট একটা পথ ।কারন ক্যান্সার ধরা পড়ে শেষ পর্যায়ে গিয়ে যখন আর কিছু করার থাকেনা , শাবিপ্রবি এর পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসমিন হক এর মতে এটা ক্যান্সার বিপদজনক হবার অনেক আগেই সনাক্ত করে ফেলবে। ফলে ক্যান্সার আর প্রাণঘাতী রোগ হিসেবে থাকবেনা, যদি আপনি সচেতন হন ।  অতএব শেষ কথা দাড়াচ্ছে যে  পৃথিবীর ধারা ঠিক থেকে যাচ্ছে ।আগে যেমন ঔষধে সারেনা এমন রোগ ছিল , তেমনি  আপনি আজ এত উন্নত তবু আজ ঔষধে সারেনা এমন রোগ আছে, আবার আজকের অপ্রতিরোধ্য রোগ গুলোর ঔষধ আবিষ্কার হতে হতে নতুন অপ্রতিরোধ্য রোগ এসে যাবে । আপনি যত গনতন্ত্র , সমাজতন্ত্র , রাজতন্ত্র যাই বানাননা কেন ধনী-গরীব-শোষক শ্রেণী , বৈষম্য থেকেই যাচ্ছে ।

(২৭৩)

         কেউ খেয়ে ফুরাতে পারছেনা আর কেউ ডাস্টবিন খুজে খাবার পাচ্ছেনা এটা যেমন আজ থেকে হাজার বছর আগেও ছিল এখনো তেমন আছে । বিজ্ঞান ও ঠিক তাই, যুগের সাথে সাথে  বিজ্ঞান ভিন্ন রুপে আদি থেকে ছিল[[{(বিশ্বাস করুন আর নাই করুন আদি যুগেও বিজ্ঞান ভাল ভাবেই ছিল, তার  উদাহরন গুলো বিভিন্ন গ্রীক উপকথা, মিসরীয় ইতিহাস, ভারতীয় বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ ,পারসিক, রোমান , আমরা যারা মুসলিম ধর্মের আছি তাদের কাছে তো এই আদি যুগের বিজ্ঞান আরো পরিষ্কার ভাবে আছে। কিভাবে যদি বলি, তাহলে দেখুন, আমাদের নবী (সাঃ)এসেছিলেন আজ থেকে ১৪৪৮ বছর আগে – যদি ৫৭০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ধরি ।নবীর জন্ম গ্রহনের সময়ের যত মুজিযা, নবীর পার্থিব জীবনের যত ঘটনা , যত গুলো যুদ্ধ  , নবীর রেখে যাওয়া ঐশী মহাগ্রন্থ আল-কুরআন, হাদিস গ্রন্থ , নবীর জীবনী , ০১ লক্ষ ২৪ হাজার নবী মতান্তরে ০২ লক্ষ ২৪ হাজার নবীর ভিতর যে ২০-২৫ জন নবীর জীবনী সম্বন্ধে সামান্য কিছু তথ্য পাওয়া যায় এবং সেই তথ্য মতে তাঁদের সময়ের জনপদ, বাজার, জীবনযাত্রা সম্বন্ধে যা পড়বেন বা যেটুকু জানবেন তাতে করে দেখবেন সভ্যতা তখনো বেশ ভাল ভাবেই ছিল ।এগুলো আপনি যদি ভাবেন নুহ আঃ এর মহাপ্লাবন, ঈসা আঃ মুজিযা, হুদ আঃ এর সময়ের ইরাম শহর ও আদ জাতি, লুত আঃ এর সময়ের লোহিত সাগর সৃষ্টি যা এখনো বিদ্যমান ,সুলাইমান আঃ এর পশুপাখির ভাষা বোঝবার ক্ষমতা, জ্বীন জাতি বশীভূত করার ক্ষমতা, উড়ন্ত গালিচা, এরকম অনেক উদাহরন দেওয়া যাবে ।আচ্ছা আপনারা সেটা না হয় বিশ্বাস না করতে পারেন কিন্তু যদি বলি এই যে যাদুকর যারা ছিলেন তারা তো আর আল্লাহর মুজিযা প্রাপ্ত নয়, তারা কি করে বিভিন্ন ক্ষমতার কাজ  করতো, সেটাই গবেষনার বিষয়।কোন গুপ্ত বিজ্ঞানি ছিল কি তারা, কোন গুপ্ত বিজ্ঞান সংঘের সদস্য ছিল কি তারা, তারা যে বিজ্ঞান চর্চা করতো সেটা সাধারন এর জন্য উন্মুক্ত করতোনা এটা হতে পারেনা ?। যাদু বলে সত্যি কিছু হয় সেটার ভুরি ভুরি উদাহরণ দেওয়া যাবে। নবী সাঃ এর লাবিদ নামক ইয়াহুদির যাদু সহ নানা রকম কিছু উদাহরণ দেওয়া যায়।

(২৭৪)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!