কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৯৭+২৯৮

0Shares

আচ্ছা আমাদের এই যে মহাবিশ্ব মানে পৃথিবী থেকে শুরু করে সকল গ্রহ উপগ্রহের একটা নির্দিষ্ট শব্দ আছে  । সেগুলো কিন্তু আমরা শুনতে পাইনা ।কারণ সেই শব্দগুলো বের হচ্ছে ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ এ । আমরা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ এর সৃষ্ট শব্দ শুনতে পাইনা । এটাকে যদি মেকানিক্যাল ওয়েভ এ কনভার্ট বা  রূপান্তর করি তবে অদ্ভূত ও বিষ্ময়কর অনেক শব্দ শুনতে পাবো । ভয়ে গা শিউরেও উঠতে পারে ।পৃথিবীর শব্দ শুনলে মনে হবে হালকা ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা ঝিঝির ডাকের মিউজিকের সাথে অজানা কোন পাখির ডাক , শনি গ্রহের শব্দ শুনলে মনে হবে শো শো শব্দে বাতাস বইছে ,  বুধ গ্রহের শব্দ শুনলে মনে হবে আপনার পাশ দিয়ে কেউ হালকা শব্দে মোটরসাইকেল চালিয়ে গেলো বা কেউ শব্দ করে নাক ডেকে ঘুমাচ্ছে , শুক্র গ্রহের শব্দটা অনেকটা গা শিউরে ওঠা ভৌতিক শব্দের কাছাকাছি অথবা বলা যেতে পারে গীর্জার ঘন্টার কাছাকাছি ।  তো বলছিলাম আমাদের মাত্রার বাইরের(আমাদের জ্ঞানের , বিজ্ঞানের ও আবিষ্কারের  সীমাবদ্ধতাকে আমি মাত্রা বলি , মাত্রা বলতে অন্য কিছু বুঝিনা ) যদিও কিছু  খুজে পাই সেটা অনেক বছরের অক্লান্ত পরিশ্রম আর অভিজ্ঞতার ফসল । বাইরের পৃথিবীতে বা এই পৃথিবীতে । যদি অদেখা কিছু খুজতে হয় তবে আমাদের কে আমাদের চিন্তার বাইরে এবং জ্ঞান এবং দৃষ্টিভঙ্গির সীমাবদ্ধতার বাইরে গিয়ে  চিন্তা করতে হবে ।  তাহলে নাসা কিছু পেতে পারে , বা মানব জাতি কিছু অজানা কিছু দেখতে বা সন্ধান  পেতে পারে । কথা হলো মানুষ সব যুগে কিছু না কিছু বিজ্ঞান আবিষ্কার করে নিজের জীবনের অনেক সংকট মোচন করে নিজের পার্থিব জীবনের বিলাশিতা ,আরাম এর বাবস্থা করেছে খুব ভালভাবে । কালের বিবর্তনে তা আবার হারিয়ে গিয়েছে ।তার যায়গা দখল করেছে নতুন কিছু তাই যাদু-তন্ত্র-মন্ত্র বলে কিছু হয়না , যদি যাদু-তন্ত্র-মন্ত্র বলে কিছু থাকে সেটা হলো বিজ্ঞানের অজানা কোন অধ্যায় ।

(২৯৭)

আসুন প্রচলিত কিছু তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে আলোচনা করি , এই তন্ত্র মন্ত্র গুলি ২০০ বছর আগের বিভিন্ন প্রাচীন বই গুলো থেকে নেওয়া হয়েছে , বিশেষত কোকা পণ্ডিত , আদি বিভিন্ন পুস্তক গুলি থেকে নেওয়া , এই বই গুলো বাজারে খুজলেও আপনি পেয়ে যাবেন হয়তোবা  ।জানি এগুলো এখন অচল তারপরেও সাবধানতার খাতিরে মন্ত্র গুলোর পুরো অংশ দিলাম না , এবং প্রয়োগ বিধি ও পুরো দিলাম না । কেউ কৌতূহল বশত এগুলো চেষ্টা করবেননা । যদি এতে কোন বিপদ হয় তবে তার জন্য লেখক বা প্রকাশক কেউই কোনমতে দায়ী নয় ।  আপনাদের আবার অনুরোধ করছি এগুলো এক যুগে বহুল প্রচলিত হয়তো ছিল , কিন্তু এখন এগুলো খাটেনা । এই বিদ্যা বিলুপ্ত । এগুলো যদি ব্যাপক অর্থে খাটতো তবে মানুষ রাতারাতি রাজা বাদশা বনে যেতো ।অনেক অসম্ভব সম্ভব হয়ে যেতো ।সুতরাং এগুলো একদমই বিশ্বাস করবেননা । শুধু মাত্র অনুসন্ধিৎসূ চোখে কিছু প্রাচীন বিষয় নিয়ে আলোচনা আর রোমাঞ্চকর বিনোদন প্রদানই আমার উদ্দেশ্য । পূর্বে যদিও কয়েকটা গল্প দিয়েছিলাম তবুও আবারো এগুলো নিয়ে আর গ্রাম বাংলার বিভিন্ন প্রচলিত অশরীরী আর অদ্ভুত কিছু গল্প আর মন্ত্র নিয়ে এই আয়োজন ।

****২০১৮ সালের ১৮ বা ১৯ মে । তিস্তা নদীর কাকিনা মহিপুর ঘাটে জেলেদের জালে কিছু শিং মাছ ধরা পড়ে । দুটো শিং মাছ পাওয়া যায় যাদের কাটা দুটো ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে আর গলাতে বেশ সক্ত করে তাবিজ সহ নাইলনের টাইট সুতা গিট দেওয়া । এটাকে গ্রামের লোকে বলে মেয়াদি বান  । মানে ওই শিং মাছ যত বড় হবে তত শিং মাছের গলাতে সুতা টাইট হবে আর তার সাথে সাথে যে লোকের বিরুদ্ধে এই বান করা হয়েছে তার গলা আটকে আসবে , দম বন্ধ হতে থাকবে , একপরযা লোকটা মারা যাবে ।

**** একবার একটা গল্প শুনেছিলাম ,যশোরে বাঘারপাড়া উপজেলার একটা গ্রামের বাজারে একটা মিষ্টির দোকান ছিলো । বড় ঠিক বলা যাবেনা । গ্রামের বাজারের মিষ্টির দোকান কত বড়ই বা হতে পারে ।

(২৯৮)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

0Shares

Facebook Comments

error: Content is protected !!