কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১১+১২ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১১+১২

৫) বিভিন্ন অজ্ঞাত রাসায়নিকের গুণ আবিষ্কার ।

৬) চিকিৎসা শাস্ত্রের অস্ত্রোপচার,হাড় জোড়া লাগানো এ গুলো সম্বন্ধে তারা জানতো

যদিও যুক্তির বাইরে হয়তো বা অবিশ্বাস্য বা সুপার ন্যাচারাল বলিনা কেন কিছু গুপ্তবিদ্যা বা ব্যাখাতীত কিছু বিষয় এ সভ্যতায় ছিল (শুধুমাত্র এ সভ্যতাতে নয় , সমস্ত গুপ্তবিদ্যা পুরাকালে বিভিন্ন সভ্যতাতে  পূর্ণ শক্তিতে বিদ্যমান ছিল , কিন্তু পরবর্তীতে উপযুক্ত রক্ষনাবেক্ষন ,উপযুক্ত উত্তরাধিকার ,নির্দিষ্ট স্থানে চর্চার সীমাবদ্ধতা এবং গোপনীয়তা , যে কোন কারণে চর্চার বা গুপ্তবিদ্যা উদ্ভাবনের সেই নগরী ধ্বংস হয়ে যাওয়া , নতুন সহজতর বিদ্যার বা যন্ত্রের উদ্ভাবন ,এসব কারণে কথিত সব অতি ক্ষমতা বা গুপ্তবিদ্যা  হারিয়ে গেছে , বা হয়তো আপনার আমার এ সভ্যতাতে অন্য কায়দাতে বা অন্য রুপে বিরাজমান থাকতেও পারে)যেটার ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক  ভাবে তেমন স্বীকৃত সত্যতা না থাকলেও , বা সামান্য কিছুর উল্লেখ থাকলেও ; সেগুলোর ভাসা ভাসা কিছু রেফারেন্স দিয়ে এই গ্রন্থের নামের স্বার্থকতা বোঝাতে সক্ষম হবো বলে মনে করি ।

ভারতীয় সভ্যতা –

বলতে গেলে যত সভ্যতা আছে তার ভিতর জ্ঞানে বিজ্ঞানে বৈচিত্রে ভারতীয় সভ্যতার মত সভ্যতা বোধ হয় আর নেই । গণিত , জ্যোতিষবিদ্যা , শিল্প-সংস্কৃতি , আয়ুর্বেদ এর চরম উৎকর্ষ কি নেই এই সভ্যতায়। বলা যেতে পারে পৃথিবীর যত গুলো আবিষ্কৃত সভ্যতা পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে ভারতীয় সভ্যতার মত ভেরিয়েশন কোন কিছুতেই নেই । আমাদের বাংলাদেশ থেকে শুরু করে ভারতকে কেন্দ্র করে শ্রীলঙ্কা , আফগানিস্তান , পকিস্তান , নেপাল , ভুটান , এ রকম বিশাল এলাকা ছিলো এ সভ্যতার অন্তর্গত । চমক হিসেবে ছড়িয়ে আছে ভারতীয় সভ্যতায় ছড়িয়ে থাকা নানা উপকথা , মিথ ।

(১১)

এ ছাড়াও চীনা সভ্যতা , অ্যাজটেক , মায়ান সভ্যতা অনেক সভ্যতাই ছিলো পৃথিবীতে ।

এবার আসবো আমাদের মূল ব্যাখ্যা বিশ্লেষন ও তর্কের বিপরতে বিতর্ক ও আলোচনায় ।

প্রসঙ্গ , আপেক্ষিকতা t –

প্রাচীনকালের মানুষ ছিলো গুহাবাসী। তারা ঘর বাড়ি নির্মান করতে জানতো না , আগুনের ব্যবহার জানতোনা, স্থায়ী ভাবে চাষ করতে জানতোনা, খাদ্যের জন্য ছিলো শিকার ও যাযাবর জীবনের উপর নির্ভরশীল । পরিধানের জন্য কাপড় ছিলোনা ।গাছের পাতা, ছাল বাকল ও পশুর চামড়া পরিধান করে লজ্জা নিবারন করতো ।টোটালি এটা বোঝানো হচ্ছে বা চিরকালই  আমরা জেনে  বুঝে এসেছি যে প্রাচীন বা প্রাগৈতিহাসিক যুগের মানুষ এ রকম ভাবনার অতীত অনুন্নত জীবন যাপন করতো । ছিলো খাদ্যের ও ফসলের জন্য শিকার করা ও প্রকৃতির উপর নির্ভরতা, যেখানে ছিলো গ্রীষ্মের দুর্বিষহ গরম, প্রতিকারে ছিলোনা এখনকার বৈদ্যুতিক ফ্যান বা এ.সি, ছিলো গন্তব্য স্থলের দুরত্ব, ছিলোনা এখনকার মত বিমান , ট্রেন, ইন্জিন চালিত যান বাহন, পানিতে চলমান স্পিড বোট । এ রকমই যদি হয় তবে তা ছিলো আমাদেরও  চরম অনুন্নত ভাবনারও অতীত অন্ধকার জীবন ।

আসলে অনুন্নত বা প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলতে কি বুঝি । যীশু খ্রীষ্টের জন্মের পূর্ববর্তী  পাঁচ-ছয় হাজার বছর বা আজ থেকে সাত –আট হাজার বছর পূর্ব পর্যন্ত সময় কালকে প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলা হয়। অর্থাৎ এই সময়ের আগের কোন ইতিহাস মানুষের কাছে নেই, তাই এটি প্রাগৈতিহাসিক যুগ , অর্থাৎ ইতিহাসের আগের যুগ। মানব ইতিহাসে ওই সময়ের সুনির্দিষ্ট কোন ইতিহাস নেই  । তবে বিজ্ঞানীরা এই প্রাগৈতিহাসিক যুগকে ভাগ করেছেন  প্রস্তর যুগ , ব্রোঞ্জ যুগ ও লৌহ যুগ এই কয়েকটা ভাগে। পৃথিবীর যত ইতিহাস পাই তার আবির্ভাব বা শুরু যুগ হলো লৌহ যুগের শেষে ।

(১২)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!