কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৭+২৮ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৭+২৮

জৈব প্রযুক্তি(biotechnology) এর যাদুকরী দিক টা না বললেই নয় সেগুলো হল ধরুন শুধুমাত্র একটা গাছের সামান্য কিছু কোষ বা টিস্যু কলা সংগ্রহ করে একটা পাত্রে রেখে দেওয়া হল আর সেখানে ওই গাছের প্রতিরুপ একটি গাছ তৈরি হতে পারে , হুবহু একজন মানুষ বা প্রাণীর প্রতিরুপ সৃষ্টি বা ক্লোনিং সবই এই জৈব প্রযুক্তি(biotechnology) এর অবদান । দূর ভবিষ্যতে হয়তো এই জৈব প্রযুক্তি(biotechnology) এর কল্যাণে আমাদের কে গরু বা ছাগলের মাংস খেতে আর পশু জবাই করা লাগবেনা ল্যাব এ একটুকরো গরুর মাংস বা গরুর মাংশের কোষ থেকে কয়েক মন মাংস তৈরি সম্ভব হবে  ।

৪। চতুর্থ বইতে আলোচনা করা হয়েছিল রসায়ন ও ধাতুর রূপান্তর বিষয়ে। এক ভারতীয় কিংবদন্তী মতে , ভারতবর্ষের বিভিন্ন অঞ্চলে যখন ভয়াবহ রকমের খরা দেখা দিয়েছিল, তখনকার  মন্দির গুলো ও ধর্মীয় ত্রান কার্যক্রমের সাথে জড়িত সংগঠনগুলো কোন এক গোপন উৎস থেকে বিপুল পরিমাণে সোনা পেয়েছিল। কারন তখন স্বর্ণ দিয়ে মুদ্রা তৈরি হতো এবং সর্বোচ্চ মানের মুদ্রা ছিল স্বর্ণমুদ্রা । তাহলে কি তথাকথিত পরশপাথর আবিষ্কারের সুত্র তাদের কাছে ছিল ?


কলিঙ্গ যুদ্ধের (২৬১ খ্রিস্ট পূর্ব) প্রান্তর এর বর্তমান ছবি ভুবনেশ্বর উড়িষ্যা , দয়া নদীর তীর

(২৭)

৫। পঞ্চম বইতে ছিল টেরেস্ট্রিয়াল কিংবা এক্সট্রা-টেরেস্ট্রিয়াল, যোগাযোগের সব ধরণের উপায় সম্পর্কে বিশদ বিবরণ দেয়া ছিল । হয়তো বর্তমানের প্রচলিত সব জ্বীন হাজির করার ব্যাপারটা ছিল এই  সবের অন্তর্ভুক্ত । সেটা তখন বাস্তবে হতো , আর এখন হয়তো শুধুমাত্র তন্ত্র মন্ত্র নামে টিকে আছে । মুল কোন গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়তো হারিয়ে গেছে ।   এ থেকে ধারণা করা হয়, নয় নামক রহস্যময় নয়জন মহাজ্ঞানী বাক্তি  এলিয়েন তথা ভিনগ্রহবাসীর অস্তিত্ব সম্পর্কেও অবগত ছিল । হতে পারে এলিয়েন হল প্রাচীন গুহাচিত্রের রহস্যময় মানব বা জ্বীন যাই হোক একটা কিছু।

ষষ্ঠ বইতে আলোচনা করা হয়েছিল অভিকর্ষ বলের গোপন রহস্য নিয়ে, এবং প্রাচীন বৈদিক বিমান তৈরীর নিয়মকানুন সম্পর্কে । মানে কিভাবে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ভেদ করে বাতাসে ভেসে থাকা সম্ভব এবং কোন উড়ে বেড়ানোর যন্ত্র আবিষ্কার সম্ভব সেটা বলা হয়েছিল ।

সপ্তম বইতে আলোচনা করা হয়েছিল সৃষ্টিরহস্য ও মহাজাগতিক নানা বিষয় বস্তু নিয়ে। জীবের প্রান , ইচ্ছামত আয়ু লাভ বা আয়ু দীর্ঘায়িত করা , পৃথিবীর ও প্রানের সৃষ্টি , ঈশ্বরতত্ব অনেক আধ্যাত্মিক গুঢ় বিষয়ের আলোচনা ছিল এখানে ।

অষ্টম বইতে আলোচনা করা হয়েছিল আলোর গতি-প্রকৃতি সম্পর্কে এবং কীভাবে আলোকে  ব্যবহার করা যায় একটি কার্যকরী অস্ত্র হিসেবে । লেসার রশ্মি টাইপের কিছু একটা না হোক অন্তত আলোর বহুমাত্রিক ব্যবহার সম্বন্ধে এতে বর্ণনা ছিল ।

নবম বইটির বিষয়বস্তু ছিল সমাজবিজ্ঞান (social science)। এতে আলোচনা করা হয়েছিল কীভাবে সমাজের ক্রমবিকাশ ঘটে , এবং কীভাবেই বা এটি ক্রমান্বয়ে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যেতে পারে বা ধ্বংস হতে পারে ।  মানে মানব সভ্যতা কিভাবে উৎকর্ষে পৌছায় আবার ধ্বংস হয়ে , ধ্বংস থেকে শুরু করে আবার উন্নতির শিখরের চক্রে বন্দি সেটাই আলোচনা করা হয়েছিল ।

(২৮)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!