কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৬৩+৬৪ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৬৩+৬৪

পাচ্ছে তা হয়তো তার কোম্পানী মালিকের একদিনের খরচের দশভাগের ও                                                  একভাগ ও না ।এভাবে স্রষ্ঠা ভালো-মন্দ, ধনী -গরীব, সুন্দর অসুন্দর, মানবিকতা সব কিছুই সৃষ্টি করে রেখেছেন । আপেক্ষিকতা এমন এক তত্ব যা দিয়ে শুধু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নয় , আমাদের মানবজীবন ও  সুন্দর করে ব্যাখা করে দেওয়া যায় । এ জন্যই বলে জীবন যেখানে যেমন, যার কাছে যাতে সুখ, সবার চোখে সুন্দরের সঙ্গা এক হলে নির্দিষ্ট কিছু ছেলেমেয়ে ছাড়া আর কারো বিয়ে হতোনা, নির্দিষ্ট কিছু ফুল ফল ও খাবার সুন্দরের সঙ্গা হয়ে থাকতো, সমাজ সংসার, মা-বাবা , সন্তান মায়ার বন্ধন সামাজিক শৃঙ্খলা কিছুই থাকতোনা, যদি আমাদের সবার কাছে অরক্ষণশীলতা ভালো লাগতো, তাহলে কি হতো নিজ ভাবনায় একটু ভেবে সোস্যাল মিডিয়া কমেন্টে বা মেসেজে জানান ।কেউ কৃষিকাজ করছে বলেই আপনাকে রোদ বৃষ্টিতে পুড়তে বা ভিজতে হচ্ছেনা, গোড়ামী মনে হলেও কোন মোড়ল ধরণের লোক  সামাজিক অনুশাসন বজায় রেখেছেন বলে সমাজে পারিবারিক বন্ধন অটুট আছে, সবাই বিশৃঙ্খল হবার সুযোগ পাচ্ছিনা, একটা ভালোমন্দের অনুপাত(ratio)ঠিক আছে বলেই হয়তো সব ঠিকঠাক আছে,  তা না হলে হয়তো প্রাণীজগতের অন্যান্য প্রাণীর মত যাযাবর হয় উঠতাম ।

         তারপরও মৌমাছি, পিপিলীকা এদের শৃঙ্খলা ও সমাজবদ্ধতা দেখুন ।এ জন্য আমাদের ব্যাক্তিগত –পারিবারিক-সামাজিক লাইফে সব যায়গায় যুক্তি ও বিজ্ঞান রেখে কিছু আবেগ ও সনাতন সেন্টিমেন্ট আবশ্যক ভাবে থাকা দরকার, শিকড়কে অবশ্যই আমাদের মনে রাখতে হবে, ভুলে গেলে চলবেনা  ।তা নাহলে প্রাচ্যের পারিবারিক ও সামাজিক সৌন্দর্য ও সুনাম অক্ষুন্ন থাকেনা ।আবার যেখান থেকে শুরু করেছিলাম আমাদের চোখ যে যে রশ্মি ধরতে পারে বা ওই যে বললাম এক  কোটির  মত রং আলাদাভাবে ধরতে পারে ।তো এক কোটির মত রং বা রশ্মি আমরা কি দেখেছি ? । হাতে গোনা কয়েকটি রং ছাড়া আমরা আর  কিছু দেখিনা ।ঊর্ধে গেলে দেখি ওই বারটি রংয়ের মিশ্রনে তৈরি নানা কম্বিনেশন ।তো অদেখা সব রশ্মির ভিতর দিয়ে যদি আমরা আমাদের জগৎ দেখি তাহলে নানা রকম অদেখা এক জগৎ আমাদের সামনে দেখা দেবে । আমাদের চোখ যদি এখন যতটুকু বড়

(৬৩)

দেখে বা যে যে রং শনাক্ত করতে পারে তার বাইরে যদি কিছু পারতো তাহলে আরো একটা জগৎ দেখতো । বর্ণান্ধতার কথা হয়তো শুনেছেন সবাই । আমাদের চোখের কোণ কোষ রং শনাক্তকরনের জন্য দায়ী । মুলত লাল, সবুজ ও নীল এই তিনটি রং সে ধরে । এখন যদি এই কোন কোষের কোন বর্ণালী সনাক্তকরন কোষ নষ্ট হয়ে যায় তাহলে, সেই লোক হয়তো লাল রক্ত দেখে বলতে পারলোনা এটা কোন রং সে দেখছে। আবার যদি ধরি কথার কথা, কোন ব্যাক্তির চোখ গড গিফটেড ভাবে, বিজ্ঞানের সুত্রের বাইরে গিয়ে  এই তিন মৌলিক রংয়ের বাইরে কোন একটি অজানা রশ্মি বা রং শনাক্ত করতে সক্ষম হলো তাহলে সে যা দেখবে আপনি আমি সাধারন চর্মচক্ষুতে তা দেখতে পাবোনা, বরং তার দেখাকে পাগলের প্রলাপ ভাববো ।আপনার চোখ আপনার টিভির রিমোট থেকে নির্গত রশ্মি দেখতে পায়না , কিন্তু আপনার মোবাইলের ক্যামেরা তা ধরে ফেলে । এক্সরের ভিতর দিয়ে যখন আমরা কোন মানুষ দেখলে আমাদের এই চোখ দিয়েই একজন সুন্দর মানুষকে দেখি কঙ্কাল ছাড়া আর কিছু না হিসেবে । তাহলে দাড়াচ্ছে আজ যদি সূর্য্য UV-RAY(ULTRA-VIOLET)  বা অতি বেগুনি রশ্মি না ছেড়ে X-RAY বিকিরণ করতো পৃথিবীর উপর তাহলে আমাদের চোখ কি দেখতো, যা দেখতো সেটা দেখা খুবই সহজ । এ জন্য আপনি প্রথমে একটা ছবি তুলুন আপনার হাতে থাকা মোবাইলে ।

         তারপর সেটাকে মোবাইলে ইন্সটল করা ফটো এডিটর দিয়ে নেগেটিভ বা সোলার ইফেক্ট দিয়ে দেখুন । পৃথিবীটা হয়ে যেতো আপনার হাতে আসা X-RAY রিপোর্ট ইমেজের মত । শুধু সেটা না X-RAY এর বাজে প্রভাবে ক্যান্সার, টিউমারে সৃষ্টিজগত ধবংশ হয় যেতো, অথবা অভিযোজিত হয়ে আমরা XRAY প্রুফ হয়ে যেতাম ।   

(৬৪)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!