কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৪৭+৪৮ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-৪৭+৪৮

৬৬) আচ্ছা মানুষ কি কোনদিন প্রানের সন্ধান পাবে , আমরা যে ধারাতে খুজছি সেটা আমাদের জীবন ধরনের সাথের মিল রেখে ভয়েজার নামক মহাকাশ যানটি ০৬ বিলিয়ন কিলো  দূর থেকে পৃথিবীর যে ছবি পাঠিয়েছে তাতে পৃথিবীকে আলোকজ্জল তাঁরা ছাড়া আর কিছু মনে হয়না , পূর্বের ছবিটা খেয়াল করেছেন কি ? 

৬৭) পৃথিবীতে যত বালুকনা আছে তার থেকে ১০ হাজার গুন বেশি হল মহাকাশের নক্ষত্রের সংখা ।

৬৮) আমরা পুরো পৃথিবীর মানুষ যতটুকু পানি পান করি সেটা হল পৃথিবীর মোট পানির মাত্র ০১% !!!!!

৬৯) সাগরে ছড়িয়ে ও খনি হিসেবে  থাকা স্বর্ণের পরিমাণ ৯০ লাখ টন । মানবজাতি আজ পর্য্যন্ত খনি থেকে মাত্র আধা লাখ টন স্বর্ণ তুলেছে ।

৭০)০৭ কোটি বছর আগে বিলুপ্ত হওয়া প্রাণী ডাইনোসর কে যারা শুধু অতিকায় প্রাণী বলে জানি সেই ডাইনোসরের  diplodocus নামের ১১০ ফুট উচ্চতার যেমন প্রজাতি ছিলো তেমনি ANCHIORNIS নামে মাত্র ১১০ গ্রাম ওজনের ডায়নোসর ও ছিলো । theropod  নামক ডাইনোসর এর একটি প্রজাতি থেকে পাখির সৃষ্টি বলে মনে করেন বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা ।

৭১) একজন মানুষ দিনে ২৩০৪০ বার শ্বাস প্রশ্বাস নেয় ।

৭২) পৃথিবীর সকল সমুদ্রের মিলে যতটুকু যায়গা হবে তার ৯৫% যায়গা মানুষের

       কাছে অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে ।

৭৩)  কবুতর অতি বেগুনি রশ্মি বা ইউ ভি রে(ultra violet ray ) দেখতে পায়

৭৪) প্রাকৃতিক মুক্তা ভিনেগারের মাঝে গলে যায় ।

৭৫) আসল হীরাকে এসিড দিয়েও গলানো সম্ভব নয় । শুধুমাত্র উচ্চ তাপমাত্রা দিয়ে   

       গলানো যায় ।

৭৬) সেকেন্ডে আলোর গতিতে ছুটলেও নিকটস্থ ছায়াপথ এন্ড্রোমিডাতে যেতে

       আমাদের ২০ লক্ষ বছর লাগবে ।

(৪৭)

৭৭) একটি মানুষের শরীরের সব রক্ত খেতে নাকি ১২ লক্ষ মশার প্রয়োজন ।

৭৮) পৃথিবীতে প্রতি বছর ১০ লাখ ভূমিকম্প হয় । কিন্তু আমাদের টের পাবর মত

       ভূমিকম্প হয় হাতে গোনা কয়েকটি মাত্র ।

৭৯) আমাদের মস্তিষ্ক ১০ হাজার বিভিন্ন গন্ধ চিনে ও মনে রাখতে পারে ।

৮০) বাঁশ গাছের কয়েকটি বিরল প্রজাতি আছে যেগুলো  দিনে ০৩ ফুট বাড়তে

      পারে ।

৮১) পৃথিবীর সব থেকে দূর্লভ মৌল এস্টেটিন, সারা পৃথিবীতে মাত্র ২৮ গ্রাম আছে ।

৮২) পিপড়ার পাকস্থলী ০২ টি ।

৮৩) পিপড়ার কামড়ে  আমাদের চামড়াতে ফরমিক এসিড(CH2O2) ঢুকিয়ে দেয়

৮৪) ২০০১ সালে ভারতের কেরালাতে রক্ত লাল রঙের রহস্যময় বৃষ্টি হয়েছিল ।

৮৫) আমরা আসলে খালি চোখে চাদের মাত্র ৫৯% দেখতে পাই ।বাকি ৪১% আমরা দেখতে পাইনা ।আবার এই চাদের ৪১% এ গিয়ে যদি আপনি দাড়ান তবে সেখান থেকে আপনি পৃথিবীকে আপনি দেখতে পাবেন না ।

৮৬) চাদের কারনে পৃথিবীর ঘূর্ণন শক্তি প্রতি ১০০ বছরে ১.৫ মিলি সেকেন্ড করে কমে যাচ্ছে ।

অনেক লম্বা তথ্য কনিকার  পর এবার ফিরে আসি সেই ভাষার প্রসঙ্গে, কিন্তু যদি ওই বাঙালী লোকটি খুব ভালোভাবে চাইনিজ ম্যান্ডারীন বা তামিল ভাষা জানে তাহলে তার কাছে আরো একটা জনগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও অজানা জীবনযাত্রা, ওই ভাষাভাষী মানুষের সুখ দুঃখ, দিনলিপির মধ্যে তার জন যে একটা পর্দা রয়েছে সেটা সরে নতুন একটা জগৎ তার সামনে উন্মোচিত হবে । ঠিক এমনই আমাদের সৃষ্টি জগতের সকল সৃষ্টির মাঝে দুরত্ব রয়েছে ।মানুষ হয়ে মানব জাতির সকল ভাষা আমরা বুঝিনা ।

পশু পাখিদের একটা জগৎ রয়েছে, তাদের একটা নিজস্ব ভাষা ও নির্দিষ্ট নিয়মে আবদ্ধ জীবনযাত্রা রয়েছে । যেটা আমরা বুঝতে পারিনা, আবার আমরা যেটা করছি, যেটা বলছি সেটা হয়তো মানুষ ব্যাতীত অন্যান্য সৃষ্টি জগতের কাছে দূর্বোধ্য , অনর্থক, বা ধারনার অতীত হতে পারে । সুতরাং, এতক্ষন এই কথা ও উদাহরন

(৪৮)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!