কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৫+২৬ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৫+২৬

১। প্রথম বইটিতে আলোচনা করা হয়েছিল , প্রোপাগান্ডার(প্রচার – হোক সত্য বা মিথ্যা , সেটাকে বিশ্বাসযোগ্য করা  ) কলাকৌশল ও মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ সম্পর্কে। মান্ডি নামক একজন মনিষীর মতে, ‘বিজ্ঞানের সবচেয়ে ভয়ংকর ট্রিকস হলো জনগনের অভিমত কে  নিয়ন্ত্রণ করা। কেননা এর সাহায্যে যে কারো  পক্ষে সম্ভব সমগ্র বিশ্বকে নিজের মত করে শাসন করা যুদ্ধ বা চাপ প্রয়োগ না করেই মানুষ কে নিজের করে নেওয়া ।’

দ্বিতীয় বইতে আলোচনা করা হয়েছিল শারীরবিদ্যা(ANATOMY) সম্পর্কে , মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রম এবং বর্তমান শারীরবিদ্যা(ANATOMY) থেকে বাতিক্রম অনেক কিছু ছিল, একটি উদাহরণ হল, সেখানে ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছিল যে কীভাবে স্রেফ স্পর্শের মাধ্যমে একজন মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয়া সম্ভব । নির্দিষ্ট কিছু স্নায়ুর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ বা পরিবর্তন করে দেয়ার মাধ্যমে মানবহত্যার এই বিরল পন্থাকে বলা হতো স্পর্শমৃত্যু।মার্শাল আর্ট কিংবদন্তী ব্রুসলীর মৃত্যূ ও নাকি এই একই কায়দায় হয়েছিলো ।যদিও মৃত্যূর জন্য কারন বলা হয়েছিল ঔষধের প্বার্শ প্রতিক্রিয়া ও মস্তিষ্কের একটি বিশেষ অংশে ফোলাভাব। আপনারা হয়তো প্রাচীন চীনে আজ থেকে কমপক্ষে ২৫০০ বছর আগে আবিষ্কৃত আকুপাংচার পদ্ধতির কথা জানেন নিশ্চয়। এটা হল এমন এক পদ্ধতি যেটার মাধ্যমে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থানে চাপ দিয়ে শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি গুলোর কার্যক্রম গুলো সঠিক ও পূর্ণ ভাবে পরিচালনা করে , এই প্রেশার গুলো দিয়ে মানুষের ভালো করাও যায় , ক্ষতিও করা যায়। ধরুন আকুপ্রেসার মতে আপনার পায়ের তলায় নির্দিষ্ট কয়েকটি পয়েন্টে নির্দিষ্ট মাত্রার চাপ দিয়ে আপনার লিভার, চোখ, কিডনি এই অঙ্গগুলোর কার্যক্রম এর উন্নতি ঘটানো সম্ভব , আবার যদি আপনি পায়ের তলাতে জোরে যদি আঘাত করেন তাহলে , সেটা আবার উপরোক্ত অঙ্গগুলোর ক্ষতি সাধন করবে এটা নিশ্চিত । তাহলে আকুপ্রেসার এর এমন কোন বিন্দু আছে যেটা বর্তমান আকুপ্রেসার এর বইগুলোতে নেই , সেই পয়েন্ট টা এমন হল যে আপনার সাথে কেউ সৌজন্য সাক্ষাতের সময় করমর্দন করলো আর আপনার হাতে হোক বা কোলাকুলির সময়ে পিঠেই হোক এমন কোন একটা ডেডলি আকুপ্রসার অ্যাপ্লাই

(২৫)

করলো যে আপনার গুরুত্বপূর্ণ নির্দিষ্ট কিছু অঙ্গ বা স্নায়ুর কার্যক্রম সেদিন থেকে বন্ধ হয়ে আপনি দু মাস পর মারা গেলেন । একপ্রকার স্লো পয়জন এর কাজ করলো

আকুপ্রেসার এর সেই গুপ্ত বা হারানো মুদ্রাটি । এরকম  কি কোন কিছুর স্বীকার হয়েছিলেন ব্রুস লি ?!!।

রহস্যময় দি নাইন

তৃতীয় বইতে আলোচনা করা হয়েছিল অণুজীব বিজ্ঞান(microbiology) ও জৈব প্রযুক্তি(biotechnology) নিয়ে । অণুজীব বিজ্ঞান(microbiology) কাজে লাগে বর্তমান এর ব্যাকটেরিয়া , ভাইরাস এর গবেষণাতে । এখনকার যত এন্টিবায়োটিক , বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন সবই এন্টিবায়োটিক অণুজীব বিজ্ঞান(microbiology) কল্যানে । আর জৈব প্রযুক্তি (biotechnology) দিয়ে আধুনিক যুগের যে সব কাজ হচ্ছে টা হল বেকারির কিছু কাজ , brewery(মদ তৈরির কারখানা ) শিল্পে মদ ও বিয়ার তৈরি , পেনিসিলিন এর আবিষ্কার এর কাজে ।

(২৬)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!