কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৪৯+২৫০ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৪৯+২৫০

এবং আদালতে কোন অপরাধের প্রমান হিসাবে ভিভিও আর গ্রহণযোগ্য হবেনা, যেমন এখন কোন অপরাধের ফটো তেমন একটা বিশ্বাসযোগ্য  নয় ।কারন নিখুত ফটো এডিটিং এখন  সামান্য স্মার্ট ফোন দিয়ে করা যায় ।কিন্তু ভিডিওটা এখনো এতটা এগোয়নি। এবার বলুন এরকম কোন ঝুকি তে পড়ে নিরুপায় হয়ে কোন দেশের সরকার  যদি প্রযুক্তির ব্যবহার সীমাবদ্ধ করে নিয়ে আসে , শুধুমাত্র কখনো যদি সেই প্রযুক্তি শাসক শ্রেণীর ব্যবহারে সীমাবদ্ধ থাকে তবে দেখা যাবে ওই প্রযুক্তির ক্ষমতা টা শাসক শ্রেণীর নির্দিষ্ট কিছু মানুষ বংশানুক্রমিক ভাবে ব্যবহার করবে এবং এক সময় তারা হয়ে যাবে ওই বিজ্ঞান বা বিশেষ জ্ঞানের অধিকারী , সেই গোষ্ঠী হয়ে যাবে এক মহা ক্ষমতাশালী জ্ঞানের অধিকারী । এবার তারা নিশ্চয় চাইবে ওই ক্ষমতা, ওই জিনিস, ওই বস্তু আবিস্কারের ফর্মুলা নিজেদের ভিতর লুকিয়ে রাখতে । বিষয়টা বোধ হয় এখনো পরিস্কার বোঝেননি আমি কি বুঝাতে চাইছি, আপনি শুনলেন শাসক এর কাছে এক জাতীয় যন্ত্র আছে যেটা দিয়ে দুরের লোকের সাথে কথা বলা যায় , আপনি কি করছেন সেটা দেখা যায় দূর থেকে (টি ভি বা সিসি ক্যামেরার কথা বলছি) এক যাদু আয়নার মাধ্যমে ।আচ্ছা এক আয়নমণ্ডল ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল নাম্বার ভিন্ন নাম্বারে করা কল কিভাবে পৌছে দিচ্ছে সেটা কি এক বার ভাবেন , এটা কি মহা জাদু নয় ? বাতাসে কত শত চ্যানেল এর অনুষ্ঠান হচ্ছে সেগুলো কিন্তু আয়নমন্ডল দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে , আপনি আমি কি খালি চোখে সেগুলো আয়নমন্ডল দিয়ে যাচ্ছে কখনো সেগুলো দেখতে পেয়েছি ? তাহলে সেগুলো আপনার আমার বসান টি ভি সেট এ আসে কি করে ?সাধারন ভাবে দেখি বলে সবার জানা বলে  এটা আমাদের কাছে কিছুই মনে হয়না ।এটা কি জাদু বলে মনে হয়না ? মনে হতো এটা যদি নির্দিষ্ট কোন গোষ্ঠীর বা সঙ্ঘের ভিতর গুপ্ত থাকতো, যদি মোবাইল নামক যন্ত্র আবিস্কার করে আমাদের মতো সাধারনের ব্যাবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া না হতো , ধরুন একজন রাজা বা বাদশা বা বিশেষ কোন সঙ্ঘ বা গোষ্ঠী পৃথিবীর সর্বোচ্চ লেভেল এর জ্ঞানী-গুণী ও বিদ্বান দের নিয়ে গঠিত। গবেষনার জন্য তো প্রচুর অর্থ বিনিয়োগের প্রয়োজন হয়|

(২৪৯)

         সেটা সরবরাহ বা বিনিয়োগ করছে কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যাক্তি ,বিজ্ঞানীদের পরিবার পরিজন সবার সাত পুরুষ বসে খাবার মতো ভবিষ্যৎ গড়ে দেবার দায়িত্ব সেই ধনী বাক্তিদের। শর্ত শুধু একটাই যা গবেষণা হবে এবং গবেষণার মাধ্যমে যা আবিষ্কার হবে তা  সাধারন জনগন এর সুবিধার্থে ব্যবহার করা যাবেনা, সাধারনের ব্যাবহারের জন্য উন্মুক্ত করা যাবেনা, সেই গুপ্ত গবেষণার মাধ্যমে হওয়া সব আবিষ্কার ব্যবহার করবে গবেষনাতে যারা অর্থ বিনিয়োগ করেছিলো শুধু তারা ।এই তত্ত্বের সব থেকে বড় প্রমান হল ‘দ্যা নাইন মিথ যার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সম্রাট অশোক(খ্রিস্ট পূর্ব ৩০৪-২৩২ অব্দ) এবং মিসরের পিরামিড, মমি, মমির অভিশাপ এবং ফেরাউন(৩১৫০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে -৩০ খ্রিস্টপূর্ব ) পদবীধারী শাসকেরা।  তাহলে এগুলো যার হাতে থাকতো তাদের কাজ কর্ম আমরা অলৌকিক বলে মনে করতাম । তাদের একেকজন কে আমরা অবতার বলে ভাবতে পারতাম। আমাদের এই সৃষ্টি জগত টাই অপার শক্তির আধার ।লাগাতার গবেষণার মাধ্যমে এই সৃষ্টি জগতের অগনিত শক্তির থেকে দুই একটা শক্তি ধরতে পারলে বা আয়ত্ব করতে পারলেই মানব জীবন পৌছে যায় এক অসীম উচ্চতায় ।খুলে যায় অসংখ্যা সম্ভাবনা ও কষ্ট লাঘবের পথ । পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ গাছ রয়েছে । এর ভিতর গোটা কয়েক গাছ এর কাজ আমরা জানি, আর ৯৯% এর কাজ আমাদের কাছে অজানা , হয়তো দূর ভবিষ্যতে এগুলো থেকে আমরা পেয়ে যাবো চির যৌবন রক্ষার ঔষধ , দুরারোগ্য রোগের সহজ সমাধান ।এই ধরুন ব্রাজিলের স্থানীয় ভাষায় কুবাই বা কেবিসমো নামে একটা গাছ আছে, যার বৈজ্ঞানিক নাম (copaifera langsdroffii) , এই গাছটিকে ডিজেল গাছ ও বলা হয় ।কারণ গাছটি ১৫ বছর বয়স থেকে বছরে ৩০ থেকে ৪০ লিটার ডিজেল দিতে পারে ।পৃথিবীর ভিতরই তো ছিলো চুম্বক শক্তি, চুম্বক পাথর বা ম্যাগনেট এশিয়া মাইনর এর এক রাখাল ছাগল চরাতে গিয়ে জুতার লোহার পেরেক টেনে ধরাতে তা আবিস্কার করেছিল এক রাখাল,বালক ম্যাগনাস, তার নাম অনুসারে এর নাম হয় ম্যাগনেট। আবার এই চুম্বক মেরু প্রতি ০৭ লাখ ৮৬ হাজার বছরে দিক পরিবর্তন করে ফেলে।

(২৫০)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!