কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৩৯+২৪০ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২৩৯+২৪০

কারণ এই মিথ সম্বন্ধে আভাস কিন্তু বরাহমিহির এর মত প্রাচীন জ্যোতির্বিদই দিয়েছেন। যিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন মঙ্গলে পানি আছে আর গ্রহ নক্ষত্রের আধুনিক যুগের হিসেবে সে যুগে যন্ত্রবাদেই ৮৯% নিখুত তথ্য দিয়েছিলেন । আরো একপ্রকার প্রাচীন নারীদের কথা শোনা যায় , ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। যারা নাকি বিষাক্ত বিষ শরীরে বহন করে চলতেন। তাদের সংস্পর্শে কেউ এলে মারা যেতো।এই নাগকন্যা হতে গেলে প্রথম শর্ত হিসেবে তাকে সুন্দরী হতে হতো, তারপর তাকে অল্প অল্প মাত্রাতে সাপের বিষ শরীরে প্রবেশ করিয়ে আস্তে আস্তে বিষ সহ্যক্ষম হিসেবে তৈরি করা হতো। এবার এই নাগকন্যাদের নাকি বিভিন্ন রাজা বাদশার সেবাদাসী করে পাঠাতো তাদের শত্রুরা । এই ঘটনার ঐতিহাসিক তেমন কোন প্রমান পাওয়া যায়না। তবে প্রাচীন জনশ্রুতি ও মিথই এর একমাত্র শ্রুতির যায়গা ।

০৮) ত্রাটক বা থার্ড আই রেডিয়েশন –আগের যুগে মুনি ঋষিরা ধ্যানের মাধ্যমে অলৌকিক শক্তির অধিকারী হতেন।বনে জঙ্গলে নির্জনে বছরের পর বছর ধ্যান সাধনা করে শক্তির সন্ধান পেতেন।ধ্যান মানে কি , ধ্যান বলতে আমরা বুঝি চোখ বন্ধ করে একাগ্র চিত্তে ধৈর্য্যের সাথে সাধনা ।অনেকে বলেন এই ধ্যান শুধু মানসিক প্রশান্তি দেয় , মনকে স্থির করে , কিন্তু  অলৌকিক ক্ষমতা দেয় ত্রাটক বলে। ত্রাটক সাধনার মাধ্যমে আপনি আপনার মনের চোখ বা তৃতীয় চোখকে জাগিয়ে তুলতে পারবেন। তখনঈ আপনি একটা মানুষকে দেখে বা আপনার সামনে কোন মানুষ কে দেখলে তাকে বা তার মনের খবর বুঝতে পারবেন। অনেক অনেক দূর দেশ থেকে মানুষের মন নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন সেখানে উপস্থিত না থেকেও। একে বলে থার্ড আই রেডিয়েশন। এটি এখনো শতাব্দীর সেরা মিথ হয়ে আছে ।কারন যে পরিমান ধ্যানের প্রতিষ্ঠান আছে তাতে এরকম সাধক তো প্রচুর দেখবার কথা। কিন্তু সেরকম কিছু তো দেখা যায়না। দুটো কারনে হতে পারে ।যদি এরকম কিছু থেকেও থাকে তবে হয়তো দেখা গেলো থার্ড আই ওপেন হবার পর আপনার কাছে পৃথিবীর কোন কিছুর প্রতি তেমন আকর্ষণ থাকলোনা|

(২৩৯)

         আপনার কাছে পৃথিবীর সমস্ত ব্যাপারগুলো অর্থহীন মনে হলো, আর নয়তো ক্ষমতাটা খুব বেশি পাওয়ারফুল কিছুনা যেটা বর্তমানের প্রযুক্তির মারণাস্ত্রের সাথে যুদ্ধ করতে পারে ।

০৯) দুধ ও আনারস একসঙ্গে খেলে মৃত্যু হয়  – দুধ ও আনারস খেলে কি মৃত্যূ হতে পারে । একেবারে ছোটবেলা থেকে বাড়ির মুরব্বীরা কিন্তু আমাদেরকে দুধ খেলে আনারস খেতে দেননি, আর আনারস খেলে দুধ খেতে দেননি । কিন্তু কেন ? কারণটা হল দুধ আর আনারস খেলে মারা যেতে হবে নাকি। বিজ্ঞানীদের মতে এটা হল ফুড ট্যাবু বা খাদ্যের কুসংস্কার। বিজ্ঞানীদের মতে এটা খেলে বেশি হলে আপনার পেটে বদহজম হতে পারে, দুধ ফেটিয়ে যেতে পারে । হজম ক্ষমতা দুর্বল হলে ভয়াবহ বদ হজমের শিকার হতে পারেন বা গ্যাস ফর্ম করতে পারেন । উন্নত দেশের রেস্টুরেন্ট গুলোতে হরহামেশা পাইনঅ্যাপল ও দুধ মিশিয়ে জুস তৈরি হয়। সাধারণত মানুষের হজমের যে সমস্যা হয় তা দুধের ক্যাসিন প্রোটিন ও আনারসে উপস্থিত বিভিন্ন এসিডের(এসকরবিক, ম্যালিক,বি মিথাইল পোপাইনিক এসিড) কারণে । সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ—আমি যেটা বলছি আনারস এবং দুধের ব্যাপারে সেটা হলো বিভিন্ন পত্রপত্রিকাতে পাওয়া রেফারেন্স আর মতামতের ভিত্তিতে, আপনারা কৌতুহলী হলে নিজ দায়িত্বে খাবেন আশেপাশে ডাক্তার ও বন্ধুদের সাথে রেখে যাতে আপনার বড় ক্ষতি হবার আগেই চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হতে পারেন, আপনার অসুস্থতা, কোন প্রকার ক্ষতি বা মৃত্যূর জন্য আমি দায়ী নই)। কিন্তু জানেন কি এত অভয়বাণী থাকা সত্ত্বেও আমি আজ পর্যন্ত দুধ এবং আনারস একসাথে খাবার সাহস পাইনি ।আপনাদের আবারও নিষেধ করছি দুধ আনারস একসঙ্গে খেতে ।

১০) যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হয় তবে কি হতে পারে ? ১ম বিশ্বযুদ্ধ এবং ২য় বিশ্বযুদ্ধ দুটোই হয়ে গেছে পৃথিবীতে ।

(২৪০)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!