কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২১৭+২১৮ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-২১৭+২১৮

**** ব্যাপারটা হলো এমন যে পৃথিবী নামক এই গ্রহে যে এক সময় এ রকম মানব সভ্যতা ছিলো , এটা কেউ কোনদিন জানবেওনা , হয়তো ভবিষ্যতে পৃথিবী যদি আবারও সৃষ্টি হয় আর সেই পৃথিবীতে মানব থেকে  কোন উন্নততর প্রাণী সৃষ্টি হলে তারাও জানবেনা কোনদিন ব্যাপারটা ।

**** WIKIPEDIA, GOOGLE , YOUTUBE এই তিনটি হলো মানুষের অতীত এবং বর্তমান এর সমস্ত রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়া এক সীমাহীন মহা জ্ঞানভান্ডার, বিভিন্ন স্থানে বা ব্যক্তিবিশেষের কাছে  গোপনে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন যত বিদ্যার বই লুকিয়ে থাকুক না কেন তা যদি পাওয়া যায় তা হয়তো মানবজাতি কিছু সময় নিলে আয়ত্ব করতে পারবে। কিন্তু WIKIPEDIA, GOOGLE, YOUTUBE এই তিন জ্ঞান ভান্ডার কে কখনো আয়ত্ব বা দেখা সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয় । কারণ এগুলোতে নিয়মিত নানা জ্ঞানমূলক নতুন নতুন ইউনিক কন্টেন্ট যোগ হচ্ছে। ফলে এগুলো আয়ত্ব করা আমাদের সামর্থ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে।  এটাতো গেলো আমাদের প্রকাশ্য ও উন্মুক্ত ইন্টারনেট জগতের কথা। গত দুই এক বছর ধরে শোনা যাচ্ছে আবার ডার্ক বা ডিপ  ওয়েবের কথা। যেখানে নাকি অনেক অদ্ভুত ও অবৈধ কিছু দেখা, পাওয়া, ও কন্ট্যাক্ট এর কথা শোনা যায়। খুব বেশি কিছু আমি এ ব্যাপারে জানিনা তবে শুনেছি এর ডোমেইন এক্সটেনশন অনিয়ন, ব্রাউজ এর জন্য টর নামক একটা  ব্রাউজার নাকি ব্যবহার করতে হয়। দেখুন আমি কিন্তু এই বইয়ের লেখাতে অনেকবার বলেছি আমাদের অধরা কিছু না কিছু থেকে যাবেই, আর সেই অধরা কিছুই পরবর্তীতে অশোকের দি নাইন, এরিয়া-৫১ এ রকম মিথ হয় যায়। সাইবার জগতে ডার্ক বা ডিপ ওয়েব ও তাই। তো পৃথিবী ও মানবসভ্যতা ধবংশ হলে এই লিজেন্ডারী বা কিংবদন্তী মানব সভ্যতার কথা কেউ জানবেনা। শুধু সাক্ষী থাকবেন স্রষ্ঠা আর চির অমর সময়। এই কিভাবে ধবংশ হতে পারে পৃথিবী ও সভ্যতা  ? এই অনুচ্ছেদটির লেখা অপ্রাসঙ্গিক ভাবে শৈশবের স্মৃতিকথা থেকে  শুরু করলাম কেন জানেন ? এ জন্য যে বা এটা বোঝানোর জন্য যে, ধরুন আমি একটা বই লিখলাম সে কারনেই জানলেন প্রসঙ্গে|

(২১৭)

         আপনাদের মাঝে আমার শৈশব স্মৃতির কিছু কথা আপনারা জানলেন, সত্য না মিথ্যা সেটা এক মাত্র আমার আপন যারা তারা ছাড়া আপনাদের বোঝার ক্ষমতা নেই, আবার এমন অনেক কিছু থাকবে যেটা আপনারা তো জানতে পারবেননা কোনদিন, আমিও জানাবোনা কোনদিন আর আমিও একদিন তা ভুলে যাবো, আবার ধরুন আমার বা যে কোন একজন মানুষের বর্তমান স্বভাব বা ব্যবহার ধরে আপনি আমাকে বা সেই লোকটি কিভাবে বা মোট  কত বছরের ঘটনাপ্রবাহে সে এই স্বভাবের মানুষে পরিণত হলো বলা যাবেনা। এখন আমি নিজেকে বা একটা মানব মস্তিষ্ককে ধরলাম একটা মহাবিশ্ব। এবার ধরুন আমি কিন্তু জন্মতারিখ ৯০ সাল অনুযায়ী এবং ৯৪ বা ৯৫ সাল এ ২০১৬ থেকে ২০১৮ লিখছি সে অনুযায়ী আমি কিন্তু ৯০ থেকে ২০১৮ পর্য্যন্ত আল্লাহর রহমতে আমি জীবিত, তা না হলে লিখছি কি করে। এখন আপনি একজন চরম যুক্তিবাদী বিজ্ঞানবিশ্বাসী লোক, আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন ১৯৯৮ সালের ২২শে আগষ্ট আমার স্কুলে ক্লাস নিয়েছিলেন কোন ম্যাডাম, কি খেয়েছিলাম, কোন রঙের জামা পরেছিলাম, বা আদৌ ক্লাস না করে ওইদিন মামা বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম কিনা এটা বলতে না পারার কারনে আপনি ভাবলেন আমি যদি তখন জন্মাই বা জীবিতই থাকি তাহলে বলতে পারলাম না কেন, বলতে পারাটাই তো স্বাভাবিক কারণ আমার স্মৃতিশক্তি তো গুগল থেকে কয়েকশো গুণ বেশি, আবার একটা ছেলে এখন সিগারেটখোর এটা দেখে যদি আপনি বলেন সেই লোকটা নিশ্চত ছাত্রজীবন থেকে লুকিয়ে সিগারেট খেতো, আচ্ছা ইতিহাসের ভিত্তিতে সম্রাট অশোক কে শেষ জীবনে ভালো দেখে কি বলা যাবে তিনি একেবারে শৈশব থেকে ও রকম সাধু সন্ত ছিলেন । যদি এগুলো না বলা যায় তাহলে মানুষ বানর থেকে সৃষ্টি বা দশ লাখ বছরের বিবর্তনে সৃষ্টি অথবা পৃথিবী ৫০০ কোটি বছর সৃষ্টি এটা অকাট্যসত্য কিভাবে বলা যেতে পারে ? । আমাকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় আমি কিন্তু শৈশবের দিনক্ষন অনেককিছুই বলতে পারবোনা। হয়তো সেটা আমার সঙ্গের লোকের মনে আছে কিন্তু আমার মনে নেই। বিজ্ঞান বলতেই পারে যুক্তি বা বিজ্ঞানসম্মত ভাবে মেনে নেবার মত পরীক্ষালব্ধ জ্ঞান সাপেক্ষে যে মানুষ কিভাবে বিবর্তিত হয়েছে

(২১৮)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!