কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১৭৩+১৭৪ | MEHBUB.NET

কালোজাদু-পৃষ্ঠা-১৭৩+১৭৪

কিছু কারনে এরা এদের চাক ষড়ভুজ করে রাখে । বাবুই পাখির বাসা বোনার আর্ট দেখেছেন ? কিভাবে সে বাসা বানায় ।  তালের পাতাতে এমন ভাবে বাসা বানায় যে ঝড় বৃষ্টিতেও সেটা ভেঙে পড়েনা , সেটা না হয় বাদ দিলাম , কিন্তু বাসার বুনন টা দেখেছেন কখনো । আপনি মানুষ আপনার শরীরটা নিয়ে কখনো ভেবে দেখেছেন ? এই যে আপনি হাত নাড়াতে চাইলে নড়ে এটা কিভাবে হয় একবার ভেবে দেখেছেন ? আপনার শরীরে কত্ত জটিল সব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কাজ চলে ভেবেছেন কখনো ? আপনি খিদা লাগলে খান , সেটা হজম হতে পাচক রস ক্ষরন থেকে অন্ত্রে শোষণ থেকে বজ্র তৈরি হওয়া পর্যন্ত কত জটিল সব প্রক্রিয়া চলে ভাবেন তো , আপনার পেটে যে এসিড তৈরি হয় খাদ্য হজমের জন্য সেটা যে আপনার পাকস্থলি কে খেয়ে ফেলেনা কার ইশারাতে বোঝেন ?আপনি ঘুমিয়ে থাকলে আপনার নাক এবং কানের ছিদ্র তোঁ খোলা থাকে , কিন্তু সেখান দিয়ে ক্ষতিকর কোন পোকামাকড় ঢোকেনা কেনো ভেবেছেন কখনো ? অনেক ছোটখাটো সামান্য একটা পোকাও তোঁ আপনার কান বা নাক দিয়ে ঢুকে আপনার মগজ টা খেতে পারে কিন্তু তা করেনা কেন , কখনো ভাবেন ? মনিষীরা বলেছেন ঈশ্বর কে চিনতে হলে আগে নিজেকে চেনো , যে নিজেকে পুরো চিনতে পারে সে সৃষ্টি তত্ত্ব অনেকটা বুঝতে পারে ।  আপনার গায়ের  চামড়া নিশ্চয় পেটের ভিতরের থেকে বেশি জব্দ , কিন্তু আপনার গায়ের চামড়াতে ঝাল লাগিয়ে দিলে আপনি চেচিয়ে দৌড় দেবেন , অসহ্য যন্ত্রনাতে ছুটোছুটি করবেন , কিন্তু আপনার পেটের ভিতরের অতি সংবেদনশীল এবং কোমল চামড়া কিন্তু ঠিকই গুরুপাক তরকারির  প্রচুর ঝাল সহ খাবার  বিনা যন্ত্রনাতে হজম ও করে নিচ্ছে ।  আপনার চোখ এমন একটা নিয়ামত এর সাথে কিছুর তুলনা হয়না , শত ঠাণ্ডাতে কিন্তু আপনার চোখ বা চোখের পানি জমে যাচ্ছেনা , গরুর কাচা মাংশ সিদ্ধ করতে চুলাতে কত তাপ দিতে হয় , কিন্তু এই কাচা মাংশ মানুষ কে খাইয়ে দিলে সেটা পেষ্ট এর মত হয়ে হজম হয়ে যাবে ।  আপনি যে যে জিনিস খান তাতে থাকে অনেক সুস্বাদু মসলা , আপনি ধরুন একটা তরকার খেলেন , সেটা ধরুন হালাল কোন পশুর মাংশ , এই মাংশ রান্না করতে গিয়ে আপনি মাংশে মসলা , লবন ,তেল , ঝাল ,পিয়াজ , রসুন কত কি দিয়েছেন , এগুলো রান্নার পর আপনার পেটে যায়

(১৭৩)

         যখন জিহবা হয়ে , তখন জিহবা কি স্বাদ টাই না পায় , কিন্তু জিহ্ববার এই বোধ যে আপনি পাচ্ছেন এই বোধ টা আপনার মস্তিস্কে কিভাবে পৌছাচ্ছে , জিহ্ববাতে কি এমন সেট করা আছে যে আপনি স্বাদ লাভ করছেন কোন কিছু জিহ্ববাতে পড়ার সাথে , আপনি খাবারটা হাতে নিলে তো আর সেই স্বাদ পাচ্ছেননা , কারন খাবারের স্বাদ নেবার যন্ত্র শুধু জিহ্বাতে তে সেট করা আছে । আপনার যৌন সুখ নেবার জন্য নির্দিষ্ট অঙ্গ আছে , নির্দিষ্ট চিন্তা আছে , নির্দিষ্ট হরমোন আর নির্দিষ্ট অঙ্গের মাদ্ধ্যমে আপনি রতিসুখ লাভ করতে পারেন , আপনি যদি ফলমুল বা গাছপালা নিয়ে ভাবেন নিশ্চয় আপনার ভিতর তাতে যৌন চিন্তা বা তাড়না আসবেনা ।  আপনি যে তেল , ঝাল মসলা সহযোগে খাবার পেটে পুরছেন সেই খাবার পেটে হজম হয়ে পুষ্টি হয়ে আপনার শরীরের প্রয়োজনীয় অংশে গিয়ে শক্তি , রক্ত ও বীর্য , দুধ তৈরি হচ্ছে  ।  এটা কি ভাবে হয়  কখনো ভেবে দেখেছেন ।  আপনি এই যা খাবারটা খেয়ে এত স্বাদ পেলেন , এত শক্তি লাভ করলেন সেটা কার ইশারাতে বা কি জটিল কাজ হওয়া সত্তেও কিভাবে আপনার শরীরে বিনা যন্ত্রনাতে শোষন হয়ে যাচ্ছে ভেবে দেখেছেন কি , এই খাবার গুলোর একটা উপাদান মানে তেল বা যে কোন মসলা ইঞ্জেকশনের মাদ্ধ্যমে আপনার শরীরে ঢুকিয়ে শরীরে শোষন করতে পারেন কিনা দেখুন তো , পারবেন তো না বরং সাথে সাথে রক্তে বিষক্রিয়া বা হার্ট ব্লক হয়ে মরবেন , সামান্য খাবার পানি শরীরে সিরিঞ্জ দিয়ে ঢুকালেও ইনফেকশন হয়ে মরবেন , যদি সেটা ডিস্টিলাইজ পানি না হয়  আচ্ছা আমরা যদি কোন ময়লা বা বিষ্ঠা গায়ে মেখে বসি বা খেয়ে ফেলি তবে আমাদের শরীর সাথে সাথে হোক বা দেরিতেই হোক ভয়াবহ জীবানু আক্রান্ত হয়ে মরবার দিকে যাবে , যদি আপনি সামান্য ঘেমে যাওয়া একটা নোংরা জাঙ্গিয়া কয়েকদিন পরেন তাহলেও আপনার প্রাইভেট বা গোপন অঙ্গগুলতে ফোড়া বা ইনফেকশন হতে পারে , কিন্তু কখনো ভাবেন আপনার মুত্র বা বর্জ্য  ত্যাগের রাস্তা সবসময় নোংরা মল মুত্র পুর্ন থাকা সত্ত্বেও কেন সেখানে চুলকানি বা ঘা পাচড়া হচ্ছেনা , আপনার নিম্নাঙ্গ পচে যাচ্ছেনা , আপনি তোঁ প্রসাব বা বর্জ্য ত্যাগের পর হাত জীবানু মুক্ত করার জন্য লাইফবয় দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলেন , তা না হলে নানা রোগাক্রান্ত হবেন ,

(১৭৪)

পরবর্তী পৃষ্ঠা দেখুন

error: Content is protected !!